হোমপেজ আত্ম সচেতনতা অন্ধের ধারণ ক্ষমতায় জ্ঞানী পঙ্গু।

অন্ধের ধারণ ক্ষমতায় জ্ঞানী পঙ্গু।

অন্ধের ধারণ ক্ষমতায় জ্ঞানী পঙ্গু।

একটি পাত্র যতটুকু খালি ততটুকু ধারণ ক্ষমতা, অতিরিক্ত রাখতে গেলে ভেঙ্গে যাবে না হয় পরে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট হবে। মানুষ ঠিক একটি পাত্রের মতো। যার যতটুকু ধারণ ক্ষমতা ততটুকুই নিতে পারে,অতিরিক্ত ঢালতে গেলে গড়িয়ে পরা বা দাঙ্গা সৃষ্টি ব্যাতিত কিছুই পাওয়া যায়না। অন্ধরা অন্ধত্বে আবদ্ধ হয়ে জ্ঞানীর ‘সরাবান তাহুরা’ (পবিত্র পানি, প্রেম ও ইশক অর্থাৎ প্রেমের বাণী) হতে বঞ্চিত।

মানুষের অনেক প্রয়োজন! যা ধারণ ক্ষমতার অধিক আশা করে এবং পেয়েও যায়! তখনই নির্যাতন এবং শোষণ শুরু হয়ে যায়। সত্য বলতে মানুষ কখনো সীমাবদ্ধতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রয়োজনবোধ করে। ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করে। যা সৃষ্টির অন্য প্রকৃতির পশু প্রাণীর এই স্বভাব কতটুকু আদৌও অজানা! প্রকৃতির কিছু কিছু সর্বস্ব বিলিয়েই দিচ্ছে মানব কল্যাণে। “তারা অসহায় নয় সম্পুর্ন” যেটা অন্ধ জ্ঞানে বুঝে আসেনা।

প্রকৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ। শ্রেষ্ঠ হিসাবে মানব জাতিকে বুঝানো হয়। যাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রয়োজন। কিন্তু পশু প্রাণীর দিকে তাকালে তার বিপরীত। ধারণা করা যায় তাদের ধারণ ক্ষমতা সুক্ষ্ম এবং স্থিতিশীল যাহা সম্পুর্ন স্বনির্ভর। কারণ মানুষ শিশুকে সকল বিদ্যা শিখিয়ে দিতে হয় যা অন্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভিন্ন। শ্রেষ্ঠ হিসাবে স্বীকৃতি নেওয়া মানুষেরা পশু প্রাণীর চেয়ে অসহায় নয় কি? কি প্রমাণ হয়? প্রকৃতি তার স্বভাব চরিত্রে স্থির এবং সম্পুর্ন। নিসন্দেহে প্রকৃতির স্বভাবি মানুষ সম্পুর্ন এবং উর্ধ্বে। সৃষ্টি এবং স্রষ্টার রহস্য সম্পর্কে এক শ্রেণির মানুষ ব্যাতিত সম্পুর্ন অজানা। যদিও এই এক শ্রেণির মানুষকে সাধারণ মানুষ ধারণ করতে অজ্ঞ। তাদের কর্ম, কথা, চলা, খাওয়া, ঘুম ইত্যাদি সকল বিষয় ভিন্ন রূপে রূপান্তর করে ফেলে। যেটা এক চরম সত্যের রূপ। তাদের কথা এবং কর্ম কোনটাই সাধারণে নিতে পারেনা।

কারণ ধারণ পাত্র সীমাবদ্ধতার জন্য তাদের শব্দ ও কর্মকে ভয়ংকর মনে হয়। যেটা প্রচলিত সমাজের জ্ঞানহীন অন্ধদের অজ্ঞানতায়,চরম সত্যে উপনীত হওয়া মহান মানুষ গুলো চুপসে আছেন। দেখতে ঠিক আকৃতিতে মানুষ হলেও প্রকৃতির স্বভাবের অভাবে অন্ধকারে নিমজ্জিত অধিকাংশ মানুষ। প্রকৃতি ধারণ ক্ষমতা মানুষকে ধারণ করার মতো আকৃতির মানুষের নেই। যেথায় প্রচলিত সমাজে”অন্ধের ধারণ ক্ষমতায় জ্ঞানী পঙ্গু” হয়ে আছে।

লেখা— সাদিকুল ইসলাম