জুনায়েদ বোগদাদি (রহঃ) এর অমিয় বাণী

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी العربية العربية

জুনায়েদ বাগদাদির চিরন্তন বাণী।

“যার পীর বা মুর্শিদ নেই
তার পীর হলো শয়তান।”

“প্রকৃত বুদ্ধিমান সে-ই,
যে নির্জনতা পছন্দ করে।”

“আমার জুব্বার ভিতর
আল্লাহ ছাড়া কিছুই নেই।”

“নিজেকে নিয়ামতের অনুপযুক্ত বলে
ধারণা করাই হল কৃতজ্ঞতা।”

“প্রতি মুহূর্তে আজাবের আশঙ্কায়
সন্ত্রস্ত হয়ে থাকাকে বলে ভয়।”

“প্রেমিকের বহু কথাবার্তা
সাধারণ মানুষের কাছে
ধর্মবিরোধী বলে মনে হয়।”

“খোদা প্রেমিকগনের ভাবাবেগের
অবস্থা বর্ণনা করা সম্ভব নয়।
কেননা উহা মুমিনদের
অন্তরে খোদার রহস্য।”

“প্রকৃত বুদ্ধিমান সে-ই
যে নির্জনতা পছন্দ করে”

“আমি তাসাউফ’কে তর্ক বিতর্ক করে নয়,
বরং ক্ষুদা, দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি
এবং নফসের স্বাদ’কে
বর্জন করেই অর্জন করেছি।”

“ধৈর্য মানুষকে বিনা প্রার্থনায় ও
মিনতি ছাড়াই আল্লাহর সাথে যুক্ত রাখে।”

“যিনি তার জীবন মরণ শুধু
আল্লাহর সন্তুষ্টি কল্পেই উৎসর্গ
করে দিয়েছেন তিনিই প্রকৃত সূফী।”

“তুমি আলেম হয়ে সূফি হও,
সূফি হয়ে আলেম হইও না
ধ্বংস হয়ে যাবে।”

“প্রেমিক লোকে এমন সকল
কথা বলেন যে সাধারণ লোকেরা
ধর্মবিরুদ্ধ মনে করে।
সাধারণ ব্যক্তি সেই সকল
উক্তি শ্রবন করিলে
প্রেমিকদিগকে ‘কাফের’ বলে।”

“কাহারো অন্তরে যখন আল্লাহর
আসন প্রতিষ্ঠিত হইয়া যায়,
তখনই সে সদা প্রফুল্ল থাকিতে পারে।”

“যেখানে ন্যায়ের ঠায় সেখানে ছুটে যায়,
অবশেষে বারেবার ফিরে আসতে হয়।”

“যে জ্ঞানের (ইলমে লাদুনীর)
এবং আল্লাহর (তথা মুর্শিদের)
আশ্রয়ে থাকে তাকেই বলে মুরিদ বা শিষ্য।”

“বিপদকে সম্পদ মনে করা সন্তোষ।
দুশ্চরিত্র আলেম অপেক্ষা
সৎ স্বাভাববিশিষ্ট ফাসেকের বন্ধুত্ব
আমার অধিক প্রিয়।”

“সূর্যের আলো যদি কেউ দেখতে না পায়,
তা হলে তাকে দিয়ে তো আর
পৃথিবী সম্পর্কে বিচার করা যায় না।”

“যাহার অন্তর শুদ্ধ নহে,
তাহার কোনও কার্য শুদ্ধ হয় না।”

“শরীর যোগে যাহার জীবন,
প্রাণের বিয়োগে তাহার মৃত্যু।
রবেতে যাহার জীবন তিনি
শারীরিক জীবন হইতে
সত্য জীবনে গমন করে।”

“দর্শনে রবেতে স্থিতি।
সেই অবস্থায় তুমি
আপনাকে কিছুই দেখিবে না।
প্রত্যহ প্রেমিকের চল্লিশ বার
ভাবান্তর হয় এবং অসাধু
চল্লিশ বছর এক ভাবে
জীবন যাপন করে।”

জোনায়েদ বাগদাদী রহঃ আরো বলেনঃ-

পাচঁ ব্যক্তির সাথে সংস্রব রেখ না:

  • (ক) মূখর্কে সাথে রাখলে ঠকবে। সে তোমার হিতকামী হতে পারে, কিন্তু নিজ মূখর্তার দরুন তোমার অমঙ্গল ঘটাবে।
  • (খ) কৃপণ- সে সর্বদা নিজের লাভের জন্য তোমার ক্ষতি করবে।
  • (গ) নিদর্য়- অভাবের সময় সে তোমাকে ধ্বংস করবে।
  • (ঘ) কাপুরুষ- তোমার প্রয়োজনের সময় সে তোমাকে পরিত্যাগ করবে।
  • (ঙ) ফাসিক- তার লোভ-লালসা অত্যন্ত বেশী। নিজ স্বার্থের খাতিরে সে তোমাকে প্রাণে হত্যা করতেও দ্ধিধাবোধ করবেনা।
error: অনুমতিহীন কপিকরা দণ্ডনীয় অপরাধ!