সদগুরু জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী (Sadhguru Quotes)

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी العربية العربية

সদগুরু (Sadhguru) জাগ্গি‌ বাসুদেবের বাণী

“নিজের অস্তিত্বের সৌন্দর্যতা সম্পর্কে
জানার একটাই উপায় হলো মেডিটেশান(ধ্যান)” – সদগুরু (Sadhguru)

“ধ্যান হলো আপনার ভেতরে নতুন
মাত্রাগুলোকে জাগিয়ে তোলার সম্ভবনা।” – সদগুরু (Sadhguru)

“যদি তুমি তোমার শরীর, মন, শক্তি
এবং ভাবনাকে একটা বিশেষ স্তর পর্যন্ত
নিয়ে যেতে সক্ষম হও,
তখন ধ্যান নিজে থেকেই হবে” – সদগুরু (Sadhguru)

“ভক্তি জীবনে প্রবেশের পূর্বে
একজন সদগুরুর সন্ধান করা আবশ্যক।
যিনি গুরু পরম্পরায় অধিষ্ঠিত।” – সদগুরু (Sadhguru)

“কোনো গুরুই এমন নয় যে,
আপনার জন্য মশাল ধরবে
বরঞ্চ গুরু নিজেই একজন মশাল।” – সদগুরু (Sadhguru)

“ধ্যানের মাধ্যমে তুমি যখন বুঝবে
তোমার ভিতরে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে
আর সেগুলো সবই তোমার বানানো।
তখনই তোমার ভীতর সেই সীমাবদ্ধতা গুলোকে
ভাঙ্গার ইচ্ছা তৈরী হবে” – সদগুরু (Sadhguru)

“যদি একবার তোমার মন
সম্পূর্ণরূপে স্থিতিশীল হয়ে যায় তাহলে
তোমার বুদ্ধি মানবীয় সীমানাকে
অতিক্রম করা শুরু করবে” – সদগুরু (Sadhguru)

“তোমার জীবন আর সেটাকে তুমি
কেমন অনুভব করো-
সেই সবকিছুই সম্পূর্ণ তোমারই সৃষ্টি।
যখন এই কথাটাকে তুমি ভালোভাবে বুঝতে পারবে,
তখনই একমাত্র তুমি নিজেকে
বদলানোর জন্য প্রস্তুত হতে পারো” – সদগুরু (Sadhguru)

“আজ মানুষ বিভ্রান্ত-কারন
কিছু স্বার্থপর মনোধর্মী জ্ঞানীদের প্রচার-
ভগবান নিরাকার,তার রূপ নেই,
অনুভূতি নেই, কার্যকলাপ নেই।
জড়জগতের সবকিছু মনুষ্য জগতের ভোগ্য বস্তু।
যাতে তারাও কিছু অংশ ভোগ করতে পারে,
এটাই উদ্দেশ্য।” – সদগুরু (Sadhguru)

“বেশিরভাগ মানুষ খাঁচায় বন্দী পাখির মতো
যারা নিজের সেই খাঁচাকে সোনায় মোড়াতে
সারাজীবন ব্যস্ত থাকে এবং তারা চূড়ান্ত
লক্ষ্যের পথে যাওয়ার চেষ্টাও করেনা।” – সদগুরু (Sadhguru)

“ব্যথা বেদনার ভয়ে তুমি
নিজের জীবনকে অর্ধেক ও
অসম্পূর্ণ রূপে যাপন করে থাকো
জীবনকে সম্পূর্ণরূপে যাপন করার জন্য।
ব্যথা বেদনার ভয় থেকে
মুক্তি পাওয়া অবশ্যই প্রয়োজন” – সদগুরু (Sadhguru)

“যেমন জল থেকে কোনও মাছকে তুলে
যত দামী অ্যাকুরিয়ামেই রাখা হোক,
মাছটি সুখী হবেনা।
তেমন আমরা সকলে চিন্ময় জীবাত্মা,
আমাদের প্রকৃত আলয় ভগবদ্ধাম।
এই জড় জগতে নিজেকে সুখী মনে হলেও,
প্রকৃতপক্ষে কেউ সুখী নয়।
ভক্তি জীবনে যে প্রবেশ করেছে,
সে ই এই পার্থক্য বোঝে।” – সদগুরু (Sadhguru)

“না কোনো নারীর পক্ষে
আত্মজ্ঞান প্রাপ্ত করা সম্ভব
আর নাই বা কোনো পুরুষের পক্ষে।
আত্মজ্ঞানের সম্ভাবনা তখনই সৃষ্টি হয়
যখন তুমি লিঙ্গভেদের
বিষয় থেকে অনেক ওপরে উঠে যাবে” – সদগুরু (Sadhguru)

“এই জড় দেহটি হল খাঁচা,
আত্মা হল পাখি। পাখিটার জন্য খাঁচা,
খাঁচার জন্য পাখিটা নয়।
আমরা খাঁচার জন্যই ব্যস্ত।
বড় জোর শিক্ষা আর সাহিত্য দ্বারা
মনের কিছু খাদ্য জোগাচ্ছি।
কিন্তু আত্মা মন ও দেহ থেকে ভিন্ন,
এর খাদ্য আলাদা।
আত্মার খাদ্য তত্ত্বজিজ্ঞাসা,
যা সদগুরু জোগান দেন।” – সদগুরু (Sadhguru)

“আমরা যদি এভাবে আত্মার অবহেলা করি,
এটা তো আত্মহত্যাই হচ্ছে।
গুরুর কাছে জানুন-
মানব জীবনের গুরুত্ব কী,
আত্মার পুষ্টি কিভাবে সাধিত হয়,
আমরা কে, এই জগৎ কি,
ভগবান কে এবং তার সাথে
আমাদের সম্পর্ক কী।” – সদগুরু (Sadhguru)

“তোমার আশপাশের লোকজনের সাথে
আড্ডা দেওয়া একধরনের
misalignment-এর সৃষ্টি করে।
সেক্ষেত্রে হয়তো তুমি অন্যদের সম্পর্কে
সমালোচনা করে যাবে আর নয়তো
তুমি তাদের সাথে এক হয়ে যাবে” – সদগুরু (Sadhguru)

“আত্মজ্ঞানে না আছে সুখ-না আছে দুঃখ।
এতে হয় শুধু এক ধরনের
অজানা আনন্দ ‘পরমানন্দ’।” – সদগুরু (Sadhguru)

“দেহের প্রতিটি কণা
সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে।
এটি অনুভব করাই হলো যোগ।” – সদগুরু (Sadhguru)

“আত্মজ্ঞান সেই সত্যের
প্রত্যক্ষরূপ হয়ে থাকে,
যেটার আগে থেকেই অস্তিত্ব ছিলো।” – সদগুরু (Sadhguru)

“অবিশ্বাস্য কাজগুলোকেই
সহজে করা যেতে পারে
যদি আমরা সেইগুলোকে
করার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই।” – সদগুরু (Sadhguru)

error: অনুমতিহীন কপিকরা দণ্ডনীয় অপরাধ!