অনুকুল ঠাকুরের সদগুরু বাণী

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी العربية العربية

অনুকুল ঠাকুরের সদগুরু বাণী

“সাধু সেজো না, সাধু হও।”

“ভগবানকে পেতে গেলে সদগুরুর শরণাপন্ন হতে হয়।”

“যেখান থেকে নেও (দীক্ষা), সদগুরুর কাছে থেকে নিও।”

“ভক্তি যদি থাকে, সে ভগবানকে আপন করে ফেলে।”

“ইষ্টে রেখো ভক্তি অটুট শক্তি পাবে বুকে তাঁরই কর্মে রাঙ্গাও স্বভাব পড়বে নাকো দুঃখে।”

“যদি সাধনায় উন্নতি লাভ করতে চাও, তবে কপটতা ত্যাগ কর।”

“মনের কথা প্রাণের ব্যাথা বলিস কেবল তাকে পেলে উপেক্ষা তোমায় করে না যে জন যায় না তোমায় ঠেলে ফেলে।”

“তোমরা দেবতা হ’য়ে ওঠ। মানুষকে দেবতা করে তোল। এই আশাই আমার তোমাদের কাছ থেকে।”

“সেই শোক ভাল যা ভগবানের দিকে টেনে নিয়ে যায়। ভগবানের থেকে বিচ্ছিন্ন করে যা, তা তো ভাল না।”

“ভগবানকে যত ভালবাসবে গভীর ভাবে, ততই সুদিন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠবে। তাকে ভালবাসতে পারলে কুদিন ও কুদিন থাকে না, সুদিন হয়ে দাঁড়ায়।”

“নাম করে রোগ সারাব, কিছু পাব এ বুদ্ধি নিয়ে নাম করা ভাল না। তাকে ভালবেসে তারই জন্য নাম করা ভাল।”

“ভক্তের থাকে তদর্থ ক্লেশ সুখ প্রিয়তা। সে কষ্টকে কষ্ট মনে করে না। সে তার জন্য সব কষ্টকে আনন্দে বরণ করে নেয়।”

“হিন্দু ধর্ম, মুসলমান ধর্ম, খ্রিস্টান ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম ইত্যাদি কথা আমার মতে ভুল, বরং ও সবগুলি এক একটি মত।”

“যার উপর যা কিছু সব দাঁড়িয়ে আছে তাই ধর্ম, আর তিনিই পরম পুরুষ। ধর্ম কখনও বহু হয় না ধর্ম একই আর তার কোন প্রকার নেই। মত বহু হতে পারে, এমনি কি যত মানুষ তত মত হতে পারে কিন্তু তাই বলে ধর্ম বহু হতে পারে না।”

“অনুরাগের সঙ্গে সদগুরু প্রদও বীজনাম জপ ও সদগুরুর ধ্যান অর্থাৎ চিন্তা, তাঁর প্রসঙ্গ, তাঁর প্রীতি্ প্রসূ কর্ম, সেবা ও তাঁর বাস্তব নির্দেশ পালন ইত্যাদির ভিতর দিয়ে তাঁকে তত্ত্বতঃ উপলন্ধি করা যায়।”

“কেউ যদি তোমার নিন্দা করে করুক, কিন্তু খেয়াল রেখো তোমার চলন চরিত্রে নিন্দনীয় কিছু যেন কোনো ক্রমে স্থিতিলাভ করতে না পারে, তাহলে নিন্দা ব্যর্থ হয়ে উঠবে এমনিতেই।”

“সব মতই সাধনা বিস্তারের জন্য, তবে তা নানান প্রকারে হতে পারে; আর যতটুকু বিস্তারে যা হয় তাই অনুভূতি, জ্ঞান। তাই ধর্ম অনুভূতির উপর।”

“তোমার নজর যদি অন্যের কেবল খারাপটাই দেখে, তবে তুমি কখনই কাউকে ভালোবাসতে পারবেনা। আর যে সৎ দেখতে পারে না সে কখনই সৎ হয় না।”

“সরল ব্যক্তি উদ্ধ্বদৃষ্টি সম্পন্ন চাতকের মত। কপটী নিন্ম দৃষ্টিসম্পন্ন শকুনের মত। ছোট হও, কিন্তু লক্ষ্য উচ্চ হোক; বড় এবং উচ্চ হ’য়ে নিন্ম দৃষ্টিসম্পন্ন শকুনের মত হওয়ায় লাভ কি?”

“ভগবানকে পেতে হলে সর্বহারা হতে হবে ভেবে ভয় করো না, তাকে পাওয়া মানে সবকে পাওয়া, ব্যাঙের বুদ্ধি ভয়ে প্রস্রাব করে পালান, তুমি কি তাই করবে? ব্যাঙই থাকবে? ব্যাঙ থাকে ব্যাঙেরই জগতে।”

error: অনুমতিহীন কপিকরা দণ্ডনীয় অপরাধ!