হোম ইলমে মারেফত ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর নামের পাশে তার হাবিবের নামও জড়িত।

ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর নামের পাশে তার হাবিবের নামও জড়িত।

ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর নামের পাশে তার হাবিবের নামও জড়িত।

মহাণ আল্লাহপাক রাব্বুল আল আমিন, তিনি তার হাবিবকে এতই মোহাব্বত করেন, যে প্রতিটি ইবাদতে আল্লাহ এবং রাসুলের নাম পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে।অর্থাৎ আল্লাহ তার প্রিয় হাবিবের নাম নিজের নামের সাথে সংযুক্ত করেছেন। এর অনেক প্রমাণ দেওয়া যেতে পারে,যেমন পাঁচ কলেমা তাছাড়া যখন মুয়াজ্জিন পাঞ্জেগানা নামাজের জন্য আজানের মধ্যে বলেন, আশহাদু আন্না মুহাম্মাাদার রাসূলাল্লাহ। এভাবে আল্লাহ তা’য়ালা তার আপন নামের অংশ দিয়ে নবীজীর নাম রেখেছেন এবং তার নামের সাথে যুক্ত করেছেন। আল্লাহ পাকের ইচ্ছাই হলো, তার হাবিবকে অধিক মর্যাদাশীল করা।এর প্রমাণ হচ্ছে আরশের অধিপতির নাম হলো মাহমুদ এবং তার হাবিবের নাম হলো মুহাম্মাদ। স্বয়ং আল্লাহ পাক ঘোষনা দেন,হে আমার হাবীব (সা:) “আমি আপনার মর্যাদার জন্য আপনার আলোচনাকে বা স্মরণকে বা জিকিরকে বা খ্যাতিকে বা সুনামকে বা মর্যাদাকে বা শান শওকতকে বা শান ও মানকে সমুচ্চ/সমুন্নত/আ’লা মাকাম/উচ্চ মর্যাদা দান করেছি।

অর্থাৎ যেখানে আল্লাহর নাম আসে সেখানে তার হাবিবেরও নামও আসে। যেমন, আজান, নামায এবং আরো অন্যান্য বহু জায়গায়। এই হিসাবে সারা বিশ্বে প্রতি মুহূর্তেই লক্ষবার আল্লাহপাক ও তার হাবিবের নাম উচ্চারিত হয়ে থাকে। তাছাড়া আসমানী ফেরেশতাদের মাঝেও আল্লাহর প্রিয় হাবিবের সুনাম উল্লেখ করা হয়।
আল্লাহপাক বলেন, হে আমার হাবিব! আমি আপনার স্মরণ (জিকির) কে সমুন্নত করেছি – (ইনশিরাহ,আয়াত নং ৪)।

হযরত আবু সাইদ খুদরী (রাঃ) থেকে ঈমাম বুখারী বর্ণনা করেন,রাসুলে পাক (সা:) হজরত জিব্রাইল (আঃ) কে জিজ্ঞেস করেছিলেন,হে জিব্রাইল এই আয়াত দ্বারা কি বুঝান হয়েছে? হযরত জিব্রাইল (আঃ) বলেন,আল্লাহ পাক বলেছেন,যখন আমার নাম স্মরণ(জিকির) করা হবে,আমার নামের পাশাপাশি তখন আমার প্রিয় হাবিবের নামও স্মরণ (জিকির) করা হবে।

সুত্র: তাফসীরে মাজহারী ১২ তম খন্ড।

আল্লাহপাক তার প্রিয় হাবিব (সা:) এর পবিত্র নাম মোবারক যে সকল স্থানে অংকিত রেখেছেন তা হলো:-কলেমা, আল-কুরআন, আযান, খুতবা, সালাত, ৭ আসমানের স্তরে স্তরে, সিদরাতুল মুন্তাহার পাতায় পাতায়,জান্নাতের প্রত্যেক দরজায়,সকল ফেরেশ্তাদের চুখের মনিতে ওঁনার নাম মোবারাক অংকিত রেখেছেন।
নবী (সা:)এর আনুগত্যকেও মহান আল্লাহ নিজের আনুগত্য রূপে শামিল করেছেন এবং নিজের আদেশ পালন করার সাথে সাথে তাঁর আদেশও পালন করতে মানব সম্প্রদায়কে নির্দেশ দিয়েছেন-সূরা আন নিসা আয়াত ৮০।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:দিওয়ানে হাসসান দ্র: এবং শেষের দুটি শ্লোক সিরতে হলবী নামক কিতাবের ১ম খণ্ড ৭৯ পৃষ্ঠা।

– সবুজ কাদেরী।

পূর্ববর্তী পোস্টমোয়াবিয়া কখনো ওহী লেখক হতে পারে না।
পরবর্তী পোস্টধর্মের জাহেরী কর্মকান্ড মারেফত সাগরের এক বিন্দু পানির সমতুল্য।
আমি বিজাত নই, তোমারই জাত! আজ গুন হারিয়ে গুরুত্বহীন-তুমি স্বাধীন আমি পরাধীন-অবশ্যই একসাথে ছিলাম একদিন।