হোম ইসলামী সংগীত ও বাদ্যযন্ত্র রাসূল (সাঃ) এর যুগে সাহাবিদের গানবাদ্য

রাসূল (সাঃ) এর যুগে সাহাবিদের গানবাদ্য

রাসূল (সাঃ) এর যুগে সাহাবিদের গানবাদ্য

রাসূল (সাঃ) এর যুগে সাহাবিদের গানবাদ্য বিষয়ে আহলে বায়তের দুই ইমাম জাফর সাদেক ও মুহাম্মাদ বাকেরের সুত্রে বর্ণিত সাহাবি জাবের বিন আব্দুল্লাহর হাদিস:

ইমাম শাফেয়ির বর্ণিত হাদিসগুলো তার ছাত্র রবি বিন সুলায়মান “মুসনাদে শাফেয়ী” গ্রন্থে সংকলন করেছেন। তিনি বলেন –

أخبرنا الشافعي -رضي الله عنه-: أخبرنا إبراهيم بن محمد قال: حدثني جعفر بن محمد، عن أبيه قال :

“كان النبي – صلى الله عليه وسلم – يخطب يوم الجمعة فكانت لهم سوق يقال له البطحاء، كانت بنو سليم يجلبون الخيل والإبل والغنم والسمن، فقدموا فخرج إليهم الناس فتركوا رسول الله – صلى الله عليه وسلم -، وكان لهم إذا تزوج أحد من الأنصار ضربوا بالكبر فعيرهم الله بذلك فقال: {وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا ‌وَتَرَكُوكَ قَائِمًا}.

শাফেয়ী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের জানিয়ে বলেছেন যে, আমাদের ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ জানিয়ে বলেছেন যে, আমাকে জাফর সাদেক তার পিতা মুহাম্মদের সুত্রে বলেছেন —

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন খুতবা দিতেন। মদিনায় বাতহা নামে একটি বাজার ছিল। বনু সুলাইমের আনসাররা সেখানে ঘোড়া, উট, ভেড়া, মেষ নিয়ে আসত। এগুলো নিয়ে যখন তারা বাজারে পৌঁছল তখন সাহাবিরা রাসুলকে ফেলে সেখানে চলে গেল। এছাড়াও আনসারদের কারো যখন বিয়ের অনুষ্ঠান হত তারা কাবার (ঢাক) বাজাত। আল্লাহ এই ঘটনার তিরস্কার করে বলেন, “যখন তারা ব্যবসা কিংবা বিনোদন দেখে তখন তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে তার দিকে ছুটে যায়” (সুরা জুমা, আয়াত ১১ )

ইবনে আসীর ইমাম শাফেয়ীর থেকে বিশুদ্ধ সুত্রে বর্ণিত এই হাদিস উল্লেখ করে বলেন,

هذا الحديث هكذا جاء مرسلاً؛ لأن جعفرًا رواه عن أبيه، عن محمد.

ومحمد هو الباقر بن علي بن الحسين بن علي بن أبي طالب، هو من التابعين.

وقد جاء هذا المعنى مسندًا عن جابر بن عبد الله

“এই হাদিসটি এখানে মুরসাল (সাহাবির নাম বাদ পড়েছে) হিসেবে এসেছে। কেননা ইমাম জাফর সাদেক এটা তার পিতা মুহাম্মদের সুত্রে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ হচ্ছেন ইমাম বাকের যিনি আলী বিন হুসাইন বিন আলী বিন আবি তালেবের পুত্র। তিনি তাবেয়িদের একজন। তবে এই হাদিসটি সাহাবি জাবের বিন আব্দুল্লাহর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ সনদ সহকারে বর্ণিত হয়েছে।” (আশ শাফী ফি শারহিল মুসনাদ আশ শাফেয়ী)

সাহাবি জাবেরের হাদীসটি ইমাম তাবারী তার তাফসীরের কিতাবে, ইমাম তাহাবী তার শারহু মুশকিলিল আছারে এবং ইমাম আবু আওয়ানা তার মুসতাখরাজ কিতাবে বিশুদ্ধ সুত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তাহাবী বলেন,

حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ , وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي دَاوُدَ , جَمِيعًا قَالَا: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ الْوُحَاظِيُّ , قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ , قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ , عَنْ أَبِيهِ , عَنْ جَابِرٍ , قَالَ:

” كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ قَائِمًا ثُمَّ يَجْلِسُ، ثُمَّ يَقُومُ فَيَخْطُبُ قَائِمًا خُطْبَتَيْنِ، فَكَانَ الْجَوَارِي إذَا نُكِحُوا يَمُرُّونَ بِالْكَبَرِ وَالْمَزَامِيرِ فَيَشْتَدُّ النَّاسُ وَيَدَعُوا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَائِمًا فَعَاتَبَهُمُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ فَقَالَ: {وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا} [الجمعة: 11]

আমাদের আবু উমাইয়্যা ও ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ উভয়ে বলেছেন, আমাদের ইয়াহিয়া বিন সালেহ আল উহাযী বলেছেন, আমাদের সুলায়মান বিন বিলাল বলেছেন, আমাদের জাফর সাদেক তার পিতা মুহাম্মদ থেকে জাবের রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে বলেছেন যে —

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, তারপর বসতেন। এরপর আবার দাঁড়াতেন। এভাবে দুইটি খুতবা দিতেন। মেয়েদের যখন বিয়ে দেয়া হত, তখন বরযাত্রীরা কাবার (ছোট তবলা) ও বাঁশি বাজিয়ে চলত। এতে মানুষ রাসুলকে দাঁড়ানো অবস্থায় ফেলে সেখানে ছুটে যেত। আল্লাহ তাদেরকে তিরস্কার করে বলেন, “যখন তারা ব্যবসা কিংবা বিনোদন দেখে তখন তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে তার দিকে ছুটে যায়” (সুরা জুমা, আয়াত ১১ )

আলোচ্য আয়াতের তাফসিরে রইসুল মুফাসসিরিন ইমাম তাবারী বলেন,

وَأَمَّا اللَّهْوُ، فَإِنَّهُ اخْتُلِفَ مِنْ أَيِّ أَجْنَاسِ اللَّهْوِ كَانَ، فَقَالَ بَعْضُهُمْ: كَانَ كَبَرًا وَمَزَامِيرَ ذِكْرُ مَنْ قَالَ ذَلِكَ

“আয়াতে বিনোদনের কোন উপকরণের কথা বলা হয়েছে এই নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কারো কারো মতে, এটি ছিল ঢাক ও বাঁশি। যারা এটা বলেছেন,”

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ عَسْكَرٍ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كَانَ الْجَوَارِي إِذَا نُكِحُوا كَانُوا يَمُرُّونَ بِالْكَبَرِ وَالْمَزَامِيرِ وَيَتْرُكُونَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَائِمًا عَلَى الْمِنْبَرِ، وَيَنْفَضُّونَ إِلَيْهَا، فَأَنْزَلَ اللَّهُ {وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا} [الجمعة: 11]

“আমাদের মুহাম্মদ বিন সাহল বিন আসকার বলেছেন, আমাদের ইয়াহিয়া বিন সালেহ আল উহাযী বলেছেন, আমাদের সুলায়মান বিন বিলাল বলেছেন, আমাদের জাফর সাদেক তার পিতা মুহাম্মদ থেকে জাবের রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে বলেছেন যে — নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, তারপর বসতেন। এরপর আবার দাঁড়াতেন। এভাবে দুইটি খুতবা দিতেন। মেয়েদের যখন বিয়ে দেয়া হত, তখন বরযাত্রীরা কাবার (ঢাক) ও বাঁশি বাজিয়ে চলত। এতে মানুষ রাসুলকে দাঁড়ানো অবস্থায় ফেলে সেখানে ছুটে যেত। আল্লাহ তাদেরকে তিরস্কার করে বলেন, “যখন তারা ব্যবসা কিংবা বিনোদন দেখে তখন তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে তার দিকে ছুটে যায়” (সুরা জুমা, আয়াত ১১ )”

وَقَالَ آخَرُونَ: كَانَ طَبْلًا ذِكْرُ مَنْ قَالَ ذَلِكَ

“অন্যান্যদের মতে, এটা ছিল তবলা। যারা এমন বলেছেন -”

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: ثنا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ: ثنا عِيسَى، وَحَدَّثَنِي الْحَارِثُ، قَالَ: ثنا الْحَسَنُ، قَالَ: ثنا وَرْقَاءُ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: اللَّهْوُ: الطَّبْلُ

“আমাকে মুহাম্মদ বিন আমর বলেছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু আসেম বলেছেন, তিনি বলেন আমাদের ঈসা বলেছেন। এছাড়াও আমাকে হারেস বলেছেন, তিনি বলেন আমাকে হাসান বলেছেন, তিনি বলেন, আমাকে ওয়ারকা বলেছেন। প্রত্যেকেই ইবন আবি নাজিহ থেকে মুজাহিদের সুত্রে বলেছেন, বিনোদন হচ্ছে তবলা।”

حَدَّثَنِي الْحَارِثُ، قَالَ: ثنا الْأَشْيَبُ، قَالَ: ثنا وَرْقَاءُ، قَالَ: ذَكَرَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، أَنَّ اللَّهْوَ: هُوَ الطَّبْلُ

“আমাকে হারেস বলেছেন, তিনি বলেন, আমাকে আশইয়াব বলেছেন, তিনি বলেন আমাকে ওয়ারকা বলেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন আবি নাজিহ ইব্রাহিম বিন আবি বকরের কথা উল্লেখ করেছেন যে, মুজাহিদ বলেছেন, বিনোদন হচ্ছে তবলা।”

وَالَّذِي هُوَ أَوْلَى بِالصَّوَابِ فِي ذَلِكَ الْخَبَرُ الَّذِي رُوِّينَاهُ عَنْ جَابِرٍ، لِأَنَّهُ قَدْ أَدْرَكَ أَمْرَ الْقَوْمِ وَمَشَاهِدَهُمْ

“(ইমাম তাবারী বলেন) উভয় বক্তব্যের মধ্যে সঠিকতর বক্তব্যটি হচ্ছে সেই সংবাদ যা আমরা জাবের থেকে বর্ণনা করেছি কেননা তিনি সাহাবিদের অবস্থা জানেন এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।”

সুত্র – জামেউল বায়ান, ইমাম তাবারী।

ইমাম তাহাবির শারহু মুশকিলিল আছারের টীকায় এই হাদীসের সনদ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে শায়খ শুয়াইব আরনাউত রহিমাহুল্লাহ বলেন,

إسناده صحيح على شرط مسلم

“হাদিসের সনদ ইমাম মুসলিমের মানদণ্ড অনুযায়ী সহীহ।”

এছাড়াও সহিহুল বুখারিতে আয়েশার হাদিস রয়েছে,

أنَّها زَفَّتِ امْرَأَةً إلى رَجُلٍ مِنَ الأنْصارِ، فقالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عليه وسلَّمَ: يا عائِشَةُ، ما كانَ معكُمْ لَهْوٌ؟ فإنَّ الأنْصارَ يُعْجِبُهُمُ اللَّهْوُ.

আয়েশা রাদ্বিয়াল্লহু আনহু আনসারী এক জুটির বিয়েতে অংশ নিয়েছিলেন। আল্লাহর রাসুল আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আয়েশা! তোমরা কি ফুর্তির ব্যবস্থা করেছিলে? আনসাররা তো আনন্দ-ফুর্তি পছন্দ করে।”

ইমাম ইবনুল কায়সারানি লিখেছেন,

وَاللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَطَفَ ‌اللَّهْوَ عَلَى التِّجَارَةِ، وحُكْمُ الْمَعْطُوفِ حُكْمُ الْمَعْطُوفِ عَلَيْهِ، وَبِالإِجْمَاعِ تَحْلِيلُ التِّجَارَةِ، فَثَبَتَ أَنَّ هَذَا الْحُكْمَ مِمَّا أَقَرَّهُ الشَّرْعُ عَلَى مَا كَانَ عَلَيْهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، لأَنَّهُ غَيْرُ مُحْتَمِلٍ أَن يكون النَّبِي – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم َ – حَرَّمَهُ، ثُمَّ يُمَرُّ بِهِ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، ثُمَّ يُعَاتِبُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مَنْ تَرَكَ رَسُولَهُ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم َ – قَائِمًا. وَخَرَجَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ وَيَسْتَمِعُ وَلَمْ يَنْزِلْ فِي تَحْرِيمِهِ آيَةٌ، وَلَا سنّ رَسُول اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم َ – فِيهِ سُنَّةٌ. فَعَلِمْنَا بِذَلِكَ بَقَاءَهُ عَلَى حَالِهِ. وَيَزِيدُ ذَلِكَ بَيَانًا وَوُضُوحًا مَا حَدَّثَنَاهُ (ذكر إسناده) عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهِ عَنْهَا أَنَّهَا زَفَّتِ امْرَأَةً مِنَ الأَنْصَارِ إِلَى رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ. فَقَالَ: رَسُول اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم َ -: أَمَا كَانَ مَعَكُنَّ مِنْ لَهْوٍ؟ فَإِنَّ الأَنْصَارَ يُعْجِبُهُمُ اللَّهْوُ

“যখন তারা ব্যবসা কিংবা ফুর্তি দেখে, তার দিকে ছুটে যায়, তোমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে” আল্লাহ তায়ালা এখানে ব্যবসা ও ফুর্তিকে পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন। ইজমার মাধ্যমে প্রমাণিত আছে যে, ব্যবসা-বাণিজ্য হালাল। এতে প্রমাণ হল যে, ইসলামপূর্ব জাহেলি সময় থেকে চলে আসা এই বিষয়ের হুকুম শরিয়তে পূর্বের অবস্থায় বহাল রাখা হয়েছে। কেননা এমনটি অসম্ভব যে, আল্লাহর রাসুল এটা হারাম ঘোষনা করার পরেও আনসাররা এতে মেতে থাকবে, এমনকি জুমার দিনে মসজিদের দরজার সামনে এই কাজ করবে।

তার ওপর আল্লাহ তাদেরকে নিন্দা করবেন যে, কেন তোমরা নবিকে দাঁড় করিয়ে চলে গেলে, অথচ তিনি গানবাদ্যকে হারাম করে কোন আয়াত নাযিল করবেন না, আল্লাহর রাসুলও কোন সুন্নাত জারি করবেন না। এই বিষয়টি আরো পরিষ্কার ও স্পষ্ট হয় আয়েশার হাদিসের মাধ্যমে যাতে আল্লাহর রাসুল তাকে বলেছিলেন, “বিয়েতে কি ফুর্তির আয়োজন ছিল? আনসাররা আনন্দ-ফুর্তি বেশ পছন্দ করে।”

লিখেছেনঃ শেখ সাদী (SHEIK SADI)

পূর্ববর্তী পোস্টদয়ালের তোতাপাখি (পর্ব-০২)
পরবর্তী পোস্টপ্রার্থনা এবং আরাধনা মূলক তত্ত্ব- সাধক কবি শাহজাহান শাহ্
[ উচিত-অনুচিতের নিশ্চিত ব্যর্থ প্যারাডাইম ছেড়ে, সম্ভব-অসম্ভবের প্যারাডাইমে স্থায়ীভাবে চলে আসা একজন "সীমাবদ্ধ মানুষ। ]

এই পোস্টে একটি মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন