হোম ইলমে মারেফত ইসলামে কবর পূজা হারাম

ইসলামে কবর পূজা হারাম

ইসলামে কবর পূজা হারাম

আল্লাহর রাস্তায় যিনি কতল হয়েছেন, তাকে কোরান মৃত বলতে সাবধান করেছেন, এমন কি মনে মনে চিন্তা করতেও মানা করা হয়েছে, মুখে বলতে হবে না, মনে মনে চিন্তা করলেই কাফের। তাছাড়া মৃত মানুষ রেজেক খায় না, জীবিতরাই আল্লাহর দেওয়া রেজেক মাজারে অথবা রওয়াজায় ভক্ষণ করেন। আল্লাহর অলিকে তো মাথা নত করে মেনেই নিতে হবে, যদি কোরানের মধ্যে থাকতে চান?

কিচ্ছু করার নাই, মনের বিরুদ্ধে গেলেও মনে নিতে হবে, তা না হলে কোরান অবমাননা করার কারণে কাফের তকমা পড়বে। বউ থাকলে তালাক হয়ে যাবে। সাবধান অলির দিকে আড় নয়নে দৃষ্টি দিবেন না, যারা অলির দিকে বাকা নজর দিয়েছে তাদের পরিণতি ইতিহাস হতে জেনে নেওয়ার অনুরোধ রইল। কবরে মৃত মানুষ থাকে, রওয়াজা অথবা মাজারে আল্লাহর অলিরা জীবিত থাকেন। তাই ইসলামে কবর পূজা হারাম। কিন্তু মাজারে অথবা রওয়াজায় তো আল্লাহর অলি অথবা নবী রসুল জীবিত রয়েছেন। এই জীবিতকে মৃত বললে কোরানিক দর্শন অনুসারে সে কাফের।

সুরা বাকারার ১৫৪ নং আয়াতের শেষ অংশে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন- “তোমরা উপলব্ধি করতে পারবে না, আল্লাহর অলি যে জীবিত। আর আল্লাহ যাহা নাজিল করিয়াছেন তদানুসারে যাহারা বিধান দেন না, তাহারা কোরানিক দর্শন অনুসারে কাফির, জালেম ও ফাসিক।” ( ৫:৪৪,৪৬,৪৭)।

ইনসান তথা মানুষ লোভী, ধর্মহীন, অধৈর্য, ক্ষতিগ্রস্ত, জাহান্নামি, আর আদম পবিত্র, সিজদার মালিক, মাসুম, আদমকে যে সাধারণ মানুষ মনে করলো সে আপন নফসের উপর জুলুম করলো।

“যারা ঈমান এনেছে, তাদের ঈমানকে জুলুম দ্বারা কলুষিত করে নাই, তারাই নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে।”(৬:৮২)।

– আর এফ রাসেল আহমেদ

পূর্ববর্তী পোস্টসুরা আল কাহাফের হাকিকত
পরবর্তী পোস্টনারী কণ্ঠের গান শোনার বৈধতাঃ
Quranik philosophy and sufism.

এই পোস্টে একটি মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন