হোমপেজ কারবালা ও ইমাম হোসাইন কারবালায় জন্মিনি আমি কারবালা হয়ে জন্মেছি

কারবালায় জন্মিনি আমি কারবালা হয়ে জন্মেছি

কারবালায় জন্মিনি আমি কারবালা হয়ে জন্মেছি

মাসুদ রানা
০৩, আগষ্ট, ২০২২ইং

কারবালায় জন্মিনি আমি কারবালা হয়ে জন্মেছি যুগে যুগে ইসলামকে নব রুপদানে যে কারবালার জন্ম, সে আমি। মুসলমান আজ বিভক্ত এজিদি আর হুসাইনি রক্ত নিয়ে খেলছে একদল শক্তি নাকি ঈমানি। ঈমান যেজন খুঁজে তারে ক’জন লেবাস ধারির লেবাসে চলছে দেখো মুহাম্মাদী হত্যার আয়োজন। ধর্ম কি, ধর্ম কোথায় ধর্মকে আজ হত্যা করে ডুবন্ত সূর্যে ওরা আলো খুঁজেরে।

মুহাম্মাদী নূরের আলো পাঁচ ভাগে বিভক্ত হলো তাতেই জগৎ আলো অন্ধকার দূর হলো। কোথায় পেলে ইসলাম তুমি কোথায় পেলে নামাজ রোজাতাঁরি রক্তে করছো তুমি কোন হলি পূজা। আবু তালিবের বংশ ছিলো ইসলামের রক্ষাকর্তা আমি নই, কোরআনে বলেছে তা। সে বংশের প্রদীপ যারা যুগে যুগে শহীদ হয়েছে তাঁরা।

যাদের তোমরা মৃত বল ভাই কোরআনেতো তাঁদের মৃত বলে নাই। কার রক্তে ইসলাম রাঙ্গাও রক্তের মাঝে কি মুসলমান হও? কারবালার প্রান্তরেমরেনি কেউ অনাহারে। পানির কি অভাব ছিলো খোদার ভান্ডার কি শূন্য হলো? হুসাইন বলে চিৎকার আসলো রক্ত আমার টগবগিয়ে ফিন কি দিয়ে উঠে ঐ দেখো কারা যেন, হায় হুসাইন হায় হুসাইন বলে কারবালার প্রান্তরে ছুটে। নব্য এজিদ, সীমারে হুংকার ছেড়েছে ,হুসাইনিদের নাকি শিয়া উপাধি দিয়েছে। ওরে আমি ভয় করিনা কারবালার মাটি দিয়ে জন্ম আমার মৃত্যু সেতো আমার নয় কোরবানি হতে এসেছি, যুগে যুগে বারবার।

পেরেছো কি ইসলামকে মূছতে রক্ত থেকে জন্ম মোদের শহীদ হওয়ার আনন্দে কারবালাতে বার বার রক্তে বন্যা হয় যাদের। সেদিনও আনন্দ হয়েছিলো হুসাইনের মাথা দিয়ে আজোও নাকি উল্লাস হয় খাবার খাদ্য নিয়ে।সেদিন কি দেখনি উপোস কাটিয়েছে তাঁরা দিনগুলি আমার হুসাইনের আসগর তৃষ্ণায় ছিলো কাতর। ওরে সীমারের দল মহরমে এতো আনন্দ কোথায় পেলি বল।

যুগে যুগে তুরাইতো এজিদের উত্তরসুরী আর আমরা কারবলায় দাড়িয়ে থাকি নব-রূপে নব-আঙ্গিকে হুসাইনী নাম ধরি। যুগে যুগে যত এজিদ সীমার জন্মিবে তত হুসাইনি আসবে, কারবালার প্রান্তরে ইসলামের সূর্য পতাকা রাখবে উঁচু করে। হুসাইন মরে না, মরেনারে প্রতিটি রক্তে হুসাইন প্রতিটি কর্মে হুসাইন সত্য ইসলাম, দিচ্ছে আনজাম। কারবালা আমি, কারবালা তুমি কারবালা জগৎময়, কারবালাতেই ইসলাম জাগে আবার সে নতুন রুপ পায়।