দেবতা তোমাকে দেবলোকে নিয়ে যাবে কিন্ত গুরু তোমাকে স্বয়ং ঈশ্বরের কাছে পৌঁছে দিবে।
গুরু ব্যতীত তুমি আধ্যাত্মিক জগতে এক পা ও এগুতে পারবে না। এখন প্রশ্ন হলো কেনো? তুমি সাধনার খাতায় নাম লেখালে তোমাকে পার করতে হবে সাগর সমতুল্য এক একটি ধাপ।
প্রথমেই আসে কাম। এ সাগর তুমি নিজে পাড়ি দিতে পারবে না। কখনোই না। সেই ক্ষমতা নিয়ে তুমি জন্ম নাও নি। এ সাগর পাড়ি দেওয়ার একমাত্র রাস্তা গুরুর দয়া। তোমার গুরু যদি দয়া না করে তাহলে এ সাগর তুমি পাড়ি দিতে পারবে না। কখনোই না ।
এরপর ক্রমান্বয়ে প্রতিটি ধাপ জয় তোমাকে জয় করতে হবে তোমার গুরুর দয়ার মাধ্যমে।
গুরু কে দয়াল রূপে আরাধনা করো। তাহলেই দয়া পাবে। গুরুর প্রতি সর্বোচ্চ বিশ্বাস স্থাপন করো তবেই দয়া পাবে।
“সবার উপরে মোর্শেদ সত্য তাহার উপরে নাই ” এই বাক্যকে মন প্রাণে বিশ্বাস করো আর গুরু থেকে দয়া প্রার্থনা সাধনার জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।
এমন ও অনেক ও উদাহরণ আছেন যে গুরু তার ভক্তকে এক সেকেন্ড এ কামেল এ পরিণত করেছেন। তাহলে বিশ্বাস রাখো তোমার গুরু কিংবা মোর্শেদ এর প্রতি। তিনি সবই পারেন, তিনি যদি দয়া করেন তবে তুমি নিজেকে সাধনার শেষ স্তর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে।
গুরুর মাঝে নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার চেষ্টা করো। এমন বিলীন যেনো আমার এ হাত আমার না আমার গুরুর। আমার এ কান আমার না আমার গুরুর। মুখ আমার না গুরুর। তবেই তোমার হাতের ধরা আর পাপ হবে না। যখন মুখ গুরুর হয়ে যাবে তখন মুখ দিয়ে আর পাপ হবে না।
এভাবে গুরুর মাঝে নিজেকে বিলীন করতে পারলে অনায়াসে তুমি পাড়ি দিতে পারবে প্রতিটি ধাপ। প্রত্যেক সাধক ও গুরুভক্তের জন্য শুভকামনা রইলো।
– AR Junayed Hasan






