হোম ইলমে মারেফত ইসলামের প্রকৃত জিহাদ সম্পর্কে আলোচনা:

ইসলামের প্রকৃত জিহাদ সম্পর্কে আলোচনা:

ইসলামের প্রকৃত জিহাদ সম্পর্কে আলোচনা:

জিহাদ আরবি শব্দ, অভিধানে শব্দটির অর্থ করা হয়েছে ধর্মযুদ্ধ, ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচেষ্টা চালানো, সাধনা করা, ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর একত্ববাদ তথা হুকুম কায়েম করার উদ্দেশ্যে খোদা দ্রোহীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকে জিহাদ বলে। আল্লাহর হুকুমত প্রতিষ্ঠা বলতে ব্যক্তি ও সমাজকে একমাত্র আল্লাহর হুকুমে পরিচালিত করাকে বুঝায়। আল্লাহর হুকুম- আহকাম যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, একমাত্র তাঁর চরিত্রে চরিত্রবাণ মাহামানব বা তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত প্রতিনিধির মাধ্যমে।

যুগে যুগে নবী রাসূল প্রেরিত হয়েছেন আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে, তারা খোতাদ্রহী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য জিহাদে অবতীর্ণ হয়েছেন। আর এ জিহাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে সরাসরি আল্লাহর নির্দেশে, যা প্রেরিত মহামানবের ক্বলাবে নাজিল হয়েছে।

এপ্রসঙ্গেই আল্লাহ বলেন- আর যখন নাজিল হয় কোন সূরা এই মর্মে যে- “তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি আর জিহাদ এবং রাসূলের সঙ্গী হয়ে, তখন তাদের মধ্যে যাদের শক্তি সামর্থ্য আছে, তারা আপনার কাছে অব্যহতি চায়।” (সূরা -তওবা, আয়াত- ৮৬)।

জিহাদ বা ধর্মযুদ্ধের গুরুত্ব আল্লাহর নিকট অপরিসীম, এবং জিহাদে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদগণ আল্লাহর নিকট অত্যন্ত সম্মানিত।

কোন এক জিহাদে থেকে ফেরার পথে আল্লাহর রাসূল সাঃ সহাবাদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন- “আমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে ফিরে যাচ্ছি।” (তাফসীরে মাযহারী, ১৯ম খণ্ড পৃষ্ঠা ২৭১)।

সাহাবাগণ বৃহত্তর জিহাদ কোনটি জানতে চাইলে জবাবে রাসূল সাঃ বলেন- “নফ্স বা জীবআত্মার সাথে জিহাদই শ্রেষ্ঠ জিহাদ, এ প্রসঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তিক প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত ইসলামি বিশ্বকোষ ১ম খণ্ডের ৪৩৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ্য করা হয়েছে।

গ্রন্থসূত্র – মুক্তি কোন পথে?
নিবেদক – অধম নালায়েক, এ আর জি এম আর এ রাসেল।

পূর্ববর্তী পোস্টভারতে নবী (আঃ) গনের আগমনঃ
পরবর্তী পোস্টমাওলা আলীর শান-মান: পর্ব-২১
সূফীবাদের লক্ষ্যই হচ্ছে নিজেকে শুদ্ধ করে প্রভুর পরিচয় লাভ করা।