খাজাবাবা ফরিদপুরী ছাহেবের আত্নীক প্রভাবে জন্ম বোবার মুখে কথা ফুটলো।

মহা পবিত্র উরস শরীফ উপলক্ষ্যে দেশ-বিদেশ হইতে জাকেরাণ-আশেকাণগন আপন পীরের দরবার বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে নজরানা ও খেদমত নিয়ে আসে। একবার উরস শরীফে বরিশাল থেকে গরুর কাফেলা বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অভিমুখে রওনা দিলো। শত শত গরু। প্রতিটি গরুর সাথে দুই একজন করে জাকের ভাই। আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে আল্লাহু আকবার স্লোগান দিতে দিতে কাফেলা এগিয়ে চলছে। ঐ কাফেলায় একজন বোবা মানুষ ছিলো। সবাই যখন স্লোগান দিচ্ছিল ঐ বোবা মানুষটার স্লোগান না দিতে পারার আর্তনাদ। তার গাল বেয়ে চোখের পানি পড়ছে।

হাঁটতে হাঁটতে বিশাল কাফেলা দরবার শরীফে এসে পৌছালো। দরবার শরীফ পৌঁছে জাকেরগণ উচ্চ স্বরে তাকবীর ধ্বনী দিতে থাকলো। তাদের তাকবীরের আওয়াজ শুনে শাহ্সূফী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব হুজরা শরীফের বারান্দায় এসে দাড়াঁলেন। আপন পীরকে দেখে মুরিদগণ ফয়েজ প্রাপ্ত হলো এবং উচ্চ স্বরে “খাজাবাবা ফরিদপুরী- জিন্দাবাদ” তকবির ধ্বনী দিতে লাগলেন। বোবা মানুষটিও খাজাবাবাকে দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ল। তার হাত চুড়াচুড়ি, চোখের পানি, বুক আর্তনাদ দেখে বুজা যাচ্ছিল সে একবার বলতে চায় ” খাজাবাবা ফরিদপুরী-জিন্দাবাদ”।

শাহ্সূফী হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব বোবো মানুষটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। হঠাৎ তার জবান খুলে গেলো। জবান দিয়ে উচ্চািরত হয়ে গেলো-“খাজাবাবা”। সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলো এই অপরূপ দৃশ্য। যেই মাত্র তার জবান ফুটলো সে পুরা দরবার শরীফ ছুটাছুটি করতে করতে স্লোগান দিতে থাকতো “খাজাবাবা ফরিদপুরী-জিন্দাবাদ”। উরস শরীফ চলাকালীন তার মুখে পবিত্র ধ্বনী ছাড়া আর কিছু শুনা যায়নি।

আরো পড়ুনঃ