মরা মানুষের জন্য জাহান্নামের অস্তিত্ব কোথাও দেখিনি।
তোমরা ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করে চাইছো- প্রভু আমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো, আমি শয়তানের কুমন্ত্রণায় পড়ে পাপ কাজে লিপ্ত হয়েছি, আমাকে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করো। আমি জানিনা তোমাদের মস্তিষ্কে এমন ধারণার জন্ম কে দিয়েছিলো! কে দেখিয়েছিলো শয়তান নামক এই সত্তাকে? কে জানিয়েছে জাহান্নাম রয়েছে! মরা মানুষের জন্য জাহান্নামের অস্তিত্ব কোথাও দেখিনি, মৃত ব্যক্তির কাছে না থাকে শয়তান, না থাকে জাহান্নাম।
জীবিত মানুষের জন্য জান্নাত-জাহান্নাম থাকতে পারে এবং দুই একটা শয়তানও তাদের জন্য রাখা যেতে পারে, কারণ জীবিত অবস্থায় সবাই চেতন থাকে। কিন্তু মানুষের দৈহিক মৃত্যু ঘটার পূর্বে’ই তার চেতনার মৃত্যু ঘটে। আর যখন চেতনার মৃত্যু হয়, তখন জাহান্নাম এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা বিষয়ে ভাবার সময় থাকেনা।
প্রাণীদের কাছে মরণ মুহূর্ত’ই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এবং প্রাণীদের মৃত্যু ঘটা-ই সব চেয়ে বড় বেদনার, মানুষের যা হারানোর তা এই মৃত্যুতে’ই হারিয়ে যায়। মৃত্যুর পরে মানুষের আর কারো কিছু’ই হারানোর থাকেনা এবং ভয়েরও কোনো কারণ থাকেনা। জাহান্নাম ও শয়তান নিয়ে ভাবনা চেতন থাকা অবস্থায় থাকে, অচেতন অবস্থায় এসব ভাবনা থাকে না।
লেখা: বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ






