তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে (আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা)

তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে (আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা)

তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে।।
একটা পাগলামি করে
জাত দেয় সে অজাতেরে দৌড়ে গিয়ে
আবার হরি বলে পড়ছে ঢলে
ধূলার মাঝে।।
একটা নারকেলের মালা
তাতে জল তোলা ফেলা করঙ্গ সে
পাগলের সঙ্গে যাবি পাগল হবি
বুঝবি শেষে।।
পাগলের নামটি এমন
বলিতে অধীন লালন হয় তরাসে
চৈতে নিতে অদ্বৈ পাগল
নাম ধরে সে।।
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে…..!!

মানবতাবাদী মহান সংস্কারক মহাত্মা ফকির লালন সাঁইজী ছিলেন বাঙালীর অসাম্প্রদায়িক ও মরমী চেতনার প্রাণ পুরুষ। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান, আমির-ফকির ও আশরাফ-আতরাফ নামক সাম্প্রদায়িক ও জাতি-বর্ণের বিভাজনমুক্ত একটি অনুপম মানব সমাজের কথা ফুটে উঠেছে তার গানে।

একটি জাতপাত হীন সুষ্ঠু মানব সমাজ গঠনের পাশাপাশি লৌকিকতা মুক্ত শুদ্ধ আত্মসাধনার কথাও রয়েছে তার বাণীতে। আলোচিত গানটি তারই প্রমাণ বহন করে। আলোচ্য পদটি নিয়ে যৎসামান্য আলোচনা করব যদি সাইয়ের কৃপা হয়।

তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে❞ –

দেহতত্ত্ব, ধর্মদর্শন ও মানবচেতনার ঐক্যের প্রতীক। এক তুলনামূলক আধ্যাত্মিক ও সমাজতাত্ত্বিক এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

সারসংক্ষেপ:

বাংলা আধ্যাত্মিক সাহিত্যের অন্যতম প্রতীকী গান ❝তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে❞ কেবল লালন বা বাউল দর্শনের অভিব্যক্তি নয়, এটি মানবচেতনার সার্বজনীন ঐক্যের কাব্য।

চৈতন্য, অদ্বৈত ও নিত্যানন্দের মিলন যেমন ভক্তি আন্দোলনের জাগরণ ঘটিয়েছিল, তেমনি এই গান বৌদ্ধের

❝মধ্যমার্গ❞, ইসলামের ❝তাওহিদ❞, শিখ ধর্মের ❝এক ওঙ্কার❞ এবং হিন্দু দর্শনের ❝অদ্বৈত বেদান্ত❞–এর সঙ্গে গভীর সাযুজ্য স্থাপন করে।

গানের প্রতিটি পঙ্‌ক্তি দেহতত্ত্বের স্তর (ষটচক্র), বায়ুর প্রবাহ, এবং সমাজ-রাজনীতির অন্তর্নিহিত প্রতিবাদের প্রতীক।

ভূমিকা: পাগল ও প্রজ্ঞা

বাংলা দর্শনে ❝পাগল❞ মানে অজ্ঞ নয়, বরং অতিজ্ঞানী যিনি বাহ্যিক নিয়ম ভেঙে অন্তর্জগতে প্রবেশ করেন।

❝তিন পাগল❞ এখানে প্রতীকীভাবে মানবচেতনার তিন স্তর:-

  1. প্রেম (চৈতন্য)
  2. জ্ঞান (অদ্বৈত)
  3. আনন্দ (নিত্যানন্দ)

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে:-

মনোবিজ্ঞানে ❝পাগলামি❞ বলতে অনেক সময় চেতনার পরিবর্তিত অবস্থা বোঝায় যেখানে মস্তিষ্কের সিদ্ধান্তগ্রহণ কেন্দ্র (প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স) ও অনুভূতির কেন্দ্র (লিম্বিক সিস্টেম) নতুন ছন্দে কাজ করে। ধ্যান, প্রার্থনা বা সৃষ্টিশীল তন্ময়তা এই অবস্থাগুলিতে মস্তিষ্কের মধ্যে যুক্তি ও অনুভূতির এক নতুন ঐক্য গড়ে ওঠে।

অর্থাৎ, লালনের পাগল আসলে সেই মানুষ, যিনি চেতনার গভীর স্তরে পৌঁছে যান যাকে আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলে “অন্তঃসঙ্গতি” বা অভ্যন্তরীণ সঙ্গতি।

❝তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে❞

হিন্দু দৃষ্টিতে: ত্রিগুণের মিলন সত্ত্ব, রজ, তম একত্র হলে সৃষ্টি সম্পূর্ণ হয়। নদী মানে সুষুম্না নাড়ি দেহের মধ্যস্থ শক্তিপথ, যেখানে চেতনা প্রবাহিত।

বৌদ্ধ দৃষ্টিতে: নদী হলো সংসারের স্রোত, যা অনিত্য। তিন পাগল মানে বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ ত্রিরত্ন।
তাদের মিলন মানে নির্বাণে প্রবেশ, যেখানে জীব ও জগৎ একাকার।

ইসলামিক দৃষ্টিতে: নদী প্রতীক ❝ আব-এ-হায়াত ❞ চেতনার জীবনধারা। তিন পাগল হলেন আল্লাহ্ , মোহাম্মদ ও আদম যাঁদের মিলনে তাওহিদের একত্ব প্রকাশ পায়।

শিখ দৃষ্টিতে: ❝মেলা❞ মানে মিলন। গুরু গ্রন্থ সাহিবে বলা হয়েছে: “জল জলে মিলিয়া, রাম নাম জপিয়া।”
নদীতে তিন পাগলের মিলন মানে সৃষ্টির সব সত্তা এক ওঙ্কারে মিলিত হওয়া।

দেহতত্ত্বে: নদী হলো সুষুম্না নাড়ি যেখানে ইড়া ও পিঙ্গলা নামক দুই বায়ুপ্রবাহ মিলিত হয়, ফলে চেতনার উন্মেষ ঘটে।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে: মানবদেহে মেরুদণ্ড বরাবর সেরিব্রো-স্পাইনাল তরল (CSF) প্রবাহিত হয় যা সুষুম্না নাড়ির প্রতীক। ধ্যান বা শ্বাসনিয়ন্ত্রণের সময় এই তরলের প্রবাহে ছন্দ আসে, মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক তরঙ্গসমূহ এক সুরে বাজতে শুরু করে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানে একে বলে “চেতনার সঙ্গতি” বা coherence of consciousness যা লালনের ভাষায় ❝মেলা❞। ❝তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে❞

সামাজিক অর্থে: যে সত্য বলে, সমাজ তাকে দূরে সরায়। বুদ্ধকে রাজন্যবর্গ, চৈতন্যকে ব্রাহ্মণ সমাজ, আর নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে কুরাইশরা বলেছিল “মজনুন” (পাগল)। অর্থাৎ, পাগল মানে সত্যবাহী যাকে সমাজ ভয় পায়।

মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে: মানবমস্তিষ্কের ভয়কেন্দ্র (অ্যামিগডালা) অপরিচিত চিন্তা বা পরিবর্তনকে হুমকি মনে করে। তাই সমাজ পাগলদের ভয় পায়, কারণ তারা অচেনা সত্যের প্রতীক। গ্যালিলিও বা টেসলার মতো বিজ্ঞানীরাও একইভাবে প্রথমে “পাগল” বলা হয়েছিল।

❝একটা পাগলামি করে, জাত দেয় সে অজাতেরে দৌড়ে গিয়ে❞

দেহতত্ত্বে: অজাত মানে ঘুমন্ত কুণ্ডলিনী অচেতন আত্মা। সাধক প্রাণশক্তির মাধ্যমে তাকে জাগিয়ে তোলে এটাই জাত দেওয়া।

বৌদ্ধে: অজাত মানে জন্মহীন নির্বাণ। বুদ্ধ বলেছেন: “অজাতং অমরং ধম্মং।”

ইসলামে: অজাত মানে ফিতরাত মানুষের ঈশ্বরপ্রদত্ত পবিত্র প্রকৃতি। নবী মানুষকে তার মূল ফিতরাতে ফিরিয়ে আনেন।

হিন্দুতে: অদ্বৈত দর্শনে আত্মা জন্মহীন: “অযং জন্মাহি, অজাতঃ শাশ্বতঃ।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে: ধ্যান বা শ্বাসপ্রশ্বাসে স্বায়ত্তস্নায়ুতন্ত্র (Autonomic nervous system) পুনর্গঠিত হয়।

পরাস্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হলে serotonin ও dopamine বৃদ্ধি পায়, চেতনা গভীর হয়। অচেতন থেকে সচেতন চেতনায় উত্তরণই এখানে “অজাত থেকে জাত”।

❝আবার হরি বলে পড়ছে ঢলে ধূলার মাঝে❞

আধ্যাত্মিক অর্থে:
চেতনা বিলীন হয়ে পরমচেতনায় লীন হয়।
ধূলা মানে দেহ অর্থাৎ দেহেই আত্মার মিলন।

বৌদ্ধে: পরিনির্বাণ আত্ম ও বিশ্ব এক।

ইসলামে: ফানা ফি আল্লাহ আল্লাহতে আত্মবিলয়।

শিখে: মন ও তন গুরুর নামে উৎসর্গ।

হিন্দুতে: ভক্তির পরিণতি হরি বলে লয়প্রাপ্তি।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে: ধ্যানের গভীরে মস্তিষ্কের “আমি” বোধক অংশ (ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ক) নিস্তব্ধ হয়। ফলে আত্মপরিচয় মুছে যায় যাকে বলে “আত্ম অন্য বিলোপ”। লালনের ভাষায়, এটাই “ধূলার মাঝে পড়া” অর্থাৎ দেহ ও আত্মা এক হয়ে যাওয়া।

❝একটা নারকেলের মালা, তাতে জল তোলা ফেলা করঙ্গ সে❞

প্রতীকী অর্থে:
নারকেল মানে বীজশক্তি, জল মানে প্রাণরস।
তোলা-ফেলা মানে শ্বাসপ্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ প্রাণায়াম।

বৌদ্ধে: অনাপান ধ্যান শ্বাসে মন শান্ত হয়।

ইসলামে: জিকির শ্বাসে আল্লাহর নাম।

শিখে: সাস সাস সিমরন প্রতিটি নিঃশ্বাসে স্মরণ।

হিন্দুতে: প্রাণায়াম বায়ুর ভারসাম্য।

বৈজ্ঞানিকভাবে:
নিয়ন্ত্রিত শ্বাস vagus স্নায়ু সক্রিয় করে, যা হৃদস্পন্দন ও মানসিক প্রশান্তি আনে।

এ সময় মস্তিষ্কে আলফা ও থিটা তরঙ্গ বৃদ্ধি পায় মন হয় স্থির ও প্রশান্ত।
এটাই “বায়ু নিয়ন্ত্রণ” বা “নারকেলের মালায় জল তোলা ফেলা”।

❝পাগলের সঙ্গে যাবি, পাগল হবি, বুঝবি শেষে❞

অর্থ: সত্য জানলে দ্বৈততা হারায়, যুক্তি ভাঙে তখন মানুষ সমাজের চোখে পাগল হয়।

ধর্মীয়ভাবে: বৌদ্ধে শূন্যতা উপলব্ধি, ইসলামে সুফির ইশক, শিখে গুরুভক্তি, হিন্দুতে ভবপাগল সবই এক।

মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে: ব্যক্তি যখন “অতীন্দ্রিয় চেতনা”-য় (Transpersonal consciousness) প্রবেশ করে, তখন তার ‘আমি’ বিলীন হয়।

কার্ল ইউং একে বলেছিলেন: ❝আত্মসত্তার বিলয় দ্বারা পূর্ণতার অর্জন❞।
অর্থাৎ, পাগল হওয়া মানে নিজের সত্তাকে মহাসত্তার সঙ্গে মেশানো।

❝পাগলের নামটি এমন বলিতে অধীন লালন হয় তরাসে❞

দর্শনীয় অর্থে: পাগলের নাম মানে ঈশ্বরের নাম। লালন ভয় পান, কারণ এই নাম উচ্চারণ মানে আত্মবিলয়।

ইসলামে: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” মানে নিজের অস্তিত্ব মুছে ফেলা।

বৌদ্ধে: “বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি” আত্মসমর্পণ।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে: ধ্যানে মস্তিষ্কের সহানুভূতি কেন্দ্র (অ্যান্টিরিয়র সিংগুলেট কর্টেক্স) ও আত্মচেতনা কেন্দ্র (ইনসুলা) সক্রিয় হয়।

এই অবস্থায় ব্যক্তি পরম সুখে ডুবে যায়, কিন্তু ভয়ও পেতে পারে, কারণ পরিচিত বাস্তব ভেঙে যায়। তাই লালনের “তরাসে” মানে চেতনার গভীর স্তরে প্রবেশের ভয়।

❝চৈতে নিতে অদ্বৈ পাগল নাম ধরে সে❞

আধ্যাত্মিক অর্থে:
চৈতন্য = প্রেম
অদ্বৈত = জ্ঞান
নিত্যানন্দ = আনন্দ
তিন তরঙ্গ এক সাগরে মিলিত।

হিন্দুতে: “অহং ব্রহ্মাস্মি” (আমি ব্রহ্ম)।

শিখে: “এক ওঙ্কার” সবই এক।

ইসলামে: “আনাল হক” আমি সত্য।

বৌদ্ধে: “শূন্যই পূর্ণ” দ্বৈত নেই।

বৈজ্ঞানিকভাবে:
মস্তিষ্কের অনুভূতি, যুক্তি ও উপলব্ধির অঞ্চল একত্রে সক্রিয় হলে “চূড়ান্ত অভিজ্ঞতা” ঘটে।

মনোবিজ্ঞানী মাসলো একে বলেছিলেন ❝আত্ম-অতিক্রমণ❞ যেখানে ব্যক্তি নিজেকে বিশ্বচেতনার অংশ মনে করে।

❝ষটচক্র ও দেহতত্ত্ব: ধর্মীয় মিলনবিন্দু❞

চক্র হিন্দু বৌদ্ধ সুফি ইসলাম শিখ দেহতাত্ত্বিক অবস্থান মূলাধার কুণ্ডলিনী নাভিচক্র ক্বলব শারীরিক সেবা মেরুদণ্ডের মূল, টিকে থাকার শক্তি।

স্বাধিষ্ঠান রসতত্ত্ব কামচক্র হায়াত রস নাম প্রজননকেন্দ্র, সৃজনশক্তি। মণিপুর অগ্নি তেজ নূর জ্যোতি সৌরকেন্দ্র, রূপান্তরশক্তি। আনাহত প্রেম করুণা ইশক প্রেম নাম হৃদয়কেন্দ্র, সহানুভূতি। বিশুদ্ধ বাণী ধ্যান জিকির নামস্মরণ কণ্ঠকেন্দ্র, অভিব্যক্তি। আজ্ঞা এবং সহস্রার ব্রহ্মচেতনা নির্বাণ ফানা বাকা এক ওঙ্কার মস্তিষ্ককেন্দ্র, সর্বচেতনা।

❝সমাজ ও রাজনীতি: পাগলের প্রতিবাদ❞

এই গান এক আধ্যাত্মিক বিপ্লবের রূপক। চৈতন্যের কীর্তন যেমন ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে মানবধর্মের ঘোষণা, তেমনি ফকির লালনের গান ছিল জাতপাত, লিঙ্গভেদ ও ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

আজকের রাজনীতিতে যেখানে ধর্ম বিভাজনের হাতিয়ার, সেখানে “তিন পাগল” মানবতার ঐক্যের প্রতীক। এই পাগলামিই প্রকৃত মানববিজ্ঞানযেখানে আত্ম, সমাজ ও মহাবিশ্ব এক সত্তা।

❝তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে❞

কেবল গান নয় এটি এক বিশ্বদর্শন, যেখানে বিজ্ঞান, ধর্ম, দেহতত্ত্ব ও মানবচেতনা একই স্রোতে মিশে যায়। এ মেলাই চূড়ান্ত মিলন চৈতন্যের নদীতে, মানবতার চেতনায়।

রেফারেন্স:

  1. লালন গীতিসঞ্চয়, সম্পা. সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বভারতী, ১৯৯৫।
  2. চৈতন্য চরিতামৃত, কৃষ্ণদাস কবিরাজ।
  3. মজমুয়া-এ-সুফিয়ানা কালাম, দিল্লি, ১৯২১।
  4. গুরু গ্রন্থ সাহিব (বাংলা অনুবাদ, ২০০৬)।
  5. ধম্মপদ ও সূত্র নিপাত, অনুবাদ: থানিস্সারো ভিক্ষু।
  6. যোগ ও ষটচক্র: তুলনামূলক গবেষণা, ইন্ডিয়ান যোগ ইনস্টিটিউট জার্নাল, ২০২০।
  7. দেহ মন্দির: বাউল তান্ত্রিক দর্শন, জার্নাল অফ সাউথ এশিয়ান স্পিরিচুয়াল স্টাডিজ, ২০১৯।
  8. নিউরোসায়েন্স অফ মেডিটেশন, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, ২০২১।
  9. মনোবিজ্ঞানী আব্রাহাম মাসলো, মানব সম্ভাবনার শীর্ষ অভিজ্ঞতা, ১৯৬৮।
  10. কার্ল ইউং, সাইকোলজি অ্যান্ড রিলিজিয়ন, ১৯৪০।

লেখনীতেঃ ফকির জুয়েল সাধু

আরো পড়ুনঃ