সাধুর আড়ালে গড়ে ওঠে কিছু প্রতারকের সাম্রাজ্য।
যেখানে মানুষ প্রশ্ন করতে ভুলে যায়, সেখানে “সাধু” নামের আড়ালে জন্ম নেয় প্রতারকের সাম্রাজ্য।
এখনকার সমাজে অনেকেই আছে যারা সাধু সেজে মানুষের বিশ্বাস, দুর্বলতা ও ভক্তিকে পুঁজি করে “ক্ষমতা, অর্থ আর প্রভাব” অর্জন করছে। তারা সাধনার পথ ধরে না বরং “ভক্তি বিক্রির পদ্ধতি” রপ্ত করে।
“ভুল সাধু” আর প্রজ্ঞাবান চরিত্র এক নয়।
ভুল সাধু হতে পারে একজন “আত্মসন্ধানী, কিন্তু সে অজ্ঞ” পথিক— যে নিজের অজ্ঞানতাকে সাধুত্ব ভেবে বসেছে। কিন্তু প্রজ্ঞাবান চরিত্র—সে সচেতনভাবে “অন্যের অন্ধত্বে আগুন জ্বালায়”, ভুল সাধু জানে লোকেরা সত্য খুঁজছে, আর সে মিথ্যা বিক্রি করছে।
এই প্রতারকেরা “ভক্ত চায়, প্রশ্নকারী নয়।” তারা শ্রদ্ধা চায়, উপলব্ধি নয়। তাদের চারপাশে থাকে আনুগত্যের দেওয়াল, যাতে কেউ ভিতরে ঢুকে প্রশ্ন না তোলে। এদের কারণে আজ সাধু শব্দটাই প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষ বিভ্রান্ত হয়— কে সত্য সাধক, আর কে চতুর বণিক?
তাই এই সময়ের দায়িত্ব,
ভক্ত নয়—অনুসন্ধানী হয়ে ওঠা।
যে খুঁজবে, বুঝবে, অন্ধত্ব কে বর্জন করে গ্রহণ করবে উপলব্ধি দিয়ে।
সত্যিকারের সাধুর জন্য দরকার “স্বচ্ছ দৃষ্টি”,
আর প্রতারকের মুখোশ চেনার জন্য দরকার “অন্তর্জ্ঞান।”
লেখা: ফরহাদ ইবনে রেহান






