হাদিসের হদিস নাই

হাদিসের হদিস নাই

হাদিস রচনা করেছিলেন যারা তারা হলেন:- (১) ইমাম বোখারী, জন্ম ৮১০ ইংরেজি, (২) ইমাম আবু দাউদ, জন্ম ৮১৭ ইংরেজি। (৩) ইমাম তিরমিজি,  জন্ম ৮২৪-৮২৮ ইংরেজি, (৪) ইমাম মুসলিম, জন্ম ৮২১ ইংরেজি। (৫) ইমাম নাসাঈ, জন্ম ৮৩০ ইংরেজি।(৬) ইমাম মাজাহ, জন্ম ৮২৪ ইংরেজি।

রাসুলে পাক তাঁজেদার এ মদিনা জন্ম গ্রহন করেন ৫৭০ ইংরেজি সাল, রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ। রাসুলে পাক সাঃ মৃত্যুবরণ করেন ৬৩৩ ইংরেজি সালে, রাসুলে খোদার জন্ম ও মৃত্যু সাল থেকে কিছু সন গননা করে দেখি যেমন:- রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (১) বোখারী এর জন্ম হয় ৮১০ ইংরেজি,তিনি ৩০ বছর বয়সে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ভ করেন, সেমতে ৮১০+৩০ =৮৪০ ইং.৬৩৩-৮৪০= ২০৭ বছর পরে প্রথম হাদিস সংগ্রহ শুরু করেন বোখারী। নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮১০= ২৪০ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৪০+৩০= ২৭০ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৭০ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (২) আবু দাউদ এর জন্ম হয় ৮১৭ ইংরেজিতে.
আবু দাউদ এর জন্ম সালের সাথে ৩০ বছর যোগ করলে ৮১৭+৩০=৮৪৭ ইংরেজি সাল। ৬৩৩-৮৪৭= ২১৪ বছর পরে হাদিস সংগ্রহ করেন আবু দাউদ।

নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮১৭= ২৪৭ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৪০+৩০= ২৭৭ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৭৭ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (৩) তিরমিজি জন্ম ৮২৪-৮২৮ ইংরেজিতে. তিরমিজি এর জন্ম সালের সাথে ৩০ বছর যোগ করলে ৮২৮+৩০=৮৫৮ ইংরেজি সাল। ৬৩৩-৮৫৮= ২২৫ বছর পরে হাদিস সংগ্রহ করেন তিরমিজি. নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮২৮= ২৫৮ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৫৮+৩০= ২৮৮ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৮৮ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (৪) মুসলিম জন্ম ৮২১ ইংরেজি মুসলিম এর জন্ম সালের সাথে ৩০ বছর যোগ করলে ৮২১+৩০=৮৫১ ইংরেজি সাল। ৬৩৩-৮৫১= ২১৮ বছর পরে হাদিস সংগ্রহ করেন মুসলিম।

নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮২১= ২৫১ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৫১+৩০= ২৮১ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৮১ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (৫) নাসাঈ জন্ম ৮৩০ ইংরেজি নাসাঈ এর জন্ম সালের সাথে ৩০ বছর যোগ করলে ৮৩০+৩০=৮৬০ ইংরেজি সাল। ৬৩৩-৮৬০= ২২৭ বছর পরে হাদিস সংগ্রহ করেন নাসাঈ.নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮৩০ = ২৬০ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৬০+৩০= ২৯০ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৯০ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন ৬৩৩ ইংরেজিতে (৬) মাজাহ জন্ম ৮২৪ ইংরেজি মাজাহ এর জন্ম সালের সাথে ৩০ বছর যোগ করলে ৮২৪+৩০= ৮৫৪ ইংরেজি সাল। ৬৩৩-৮৬০= ২২১ বছর পরে হাদিস সংগ্রহ করেন মাজাহ. নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮২৪= ২৫৪ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৫৪+৩০= ২৮৪ বছর পর থেকে হাদিস সংগ্রহ আরাম্ব করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৮৪ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। নবী পাক সাঃ জন্ম তারিখ থেকে গননা করলে ৫৭০- ৮৩০ = ২৬০ বছরের সাথে যোগ(+) করতে হয় ২৬০+৩০= ২৯০ বছর পরও হাদিস সংগ্রহ করেন, নবী জন্ম থেকেই নবী ছিলেন, নবী পাক সাঃ আঃ পৃথিবীতে ছিলেন ৬৩ বছর, ৬৩ বছরের জীবন কালের বানি ২৯০ বছর পর ১০/১৫ বছরে সংগ্রহ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

৬৩৩ ইংরেজি সালে রাসুলে পাক সাঃ দেহত্যগ করেন, আর হাদিস সংগ্রহ আরম্ভ করেন ২৭০ বছর পরে অর্থাৎ ৮৪০ ইংরেজি সালে। বিভিন্ন হাদিসের বর্ণনা মতে দেখা যায় কিছু সংখ্যক সাহাবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যেসব সাহাবীদের নাম হাদিস সংগ্রহ কারীগণ বর্ণনা করেছেন সেইসব ব্যক্তিগণ নবী করিম তাজেদারে মদিনার আদৌ সাহাবী কি না,সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। রাসূলে পাক সাঃ আঃ সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সময় জিনিন ছিলেন তিনি শের ই খোদা আমিরুল মৌমেনিন মৌওলা আলী রহমাতুল্লিল আল্লাইহি, হাদিসে সংগ্রহকারীগনের বর্ননা নগন্য রাসূলে পাক সাঃআঃ নূর এ মোহাম্মদীর ধর্মের অনুসারীদের বিভ্রান্ত ও হয়রানি করার জন্য এজিদ এক নতুন কৌশল অবলম্বন করে, আর কৌশলের একটি নাম “হাদিস” যার কোন ভিত্তি নাই।

কোরআনের সত্যকে আড়াল করতে রাসুলে খোদা নবী করিম সাঃ আঃ প্রকৃত ইসলামকে কটাক্ষ করতে আমাদের সমাজের এজিদ পন্থী মোল্লাগন বিভিন্ন ওয়াজ- মাহফিলে কথায় কথায় হাদীস কে কোরআনের বিকল্প উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে, হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে যা কিছু ই বর্ননা কে থাকেন তাহা “সম্পর্ন মিথ্যা”। “সম্পর্ন মিথ্যা”এবং “সম্পর্ন মিথ্যা”, আমার জানা মতে ইতিহাস সংস্কৃতি ঐতিহ্য সম্বলিত তথ্য মতে হাদিসের কোন হদিস (ভিত্তি) নেই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে – বিদেশের তথা পৃথিবীর বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে হাদীসের উপর যেসব ডিগ্রি প্রদানকরা হয়, তা কতটুকু যুক্তিসম্মত তার বিচারের ভার আপনাদের কাছেই চেড়ে দিলাম।

-নিরন্ন আশ্রম

আরো পড়ুনঃ