একটি চরম সত্যকে স্বীকার করার ক্ষেত্রে তোমরা সর্বোচ্চ কুণ্ঠ।

একটি চরম সত্যকে স্বীকার করার ক্ষেত্রে তোমরা সর্বোচ্চ কুণ্ঠ।

একটি চরম সত্যকে স্বীকার করার ক্ষেত্রে তোমরা সর্বোচ্চ কুণ্ঠ। সত্যটি হলো এই যে, “মন্দের মাঝেও ঈশ্বর বিরাজ করেন।”

তোমাদের মনে রাখা উচিত, ঈশ্বর যেহেতু সর্বত্র সেহেতু মন্দতেও ঈশ্বর বিরাজ করেন, কিন্তু তোমরা সবাই ঈশ্বরকে শুধুমাত্র মঙ্গলময় বলে’ই বিশ্বাস করতে চাও, আর মন্দতে যে ঈশ্বর রয়েছেন তা তোমরা বিশ্বাস করতে চাওনা৷ তোমারা তোমাদের সকল ভালো কিছুকে’ই ঈশ্বরের উপর দিয়ে থাকো, আর যা কিছু মন্দ রয়েছে তা তোমরা শয়তানের উপরে দিয়ে রাখো৷

যদি ঈশ্বর সর্বত্র থাকেন তবে শয়তান কেন ঈশ্বরের আশ্রয়ে নয়? এ প্রশ্নটুকু কি কখনো করে দেখেছো? একটু লক্ষ্য করলে’ই দেখা যায় যে, একটি সাকার ঈশ্বর যখন নেওয়া হয় ঠিক তখন’ই তার সাথে একটি শয়তানকেও রাখা হয়৷ কিন্তু শয়তানকে কেন রাখা হয়? তোমরা কি জানো ঈশ্বরের সাথে শয়তান রাখার কারণ কি?

কারণ হলো এই যে, ঈশ্বর সর্বত্র শয়তানকে বুকে ধারণ করেন, আবার শয়তানও ঈশ্বরকে সর্বত্র বুকে ধারণ করেন। কালক্রমে আজকের শয়তান আগামীর ঈশ্বর হয়ে ওঠেন, যে হৃদয়ে ঈশ্বর বসবাস করেন সেই এক’ই হৃদয়ে শয়তানও অবস্থান করেন।

যে হৃদয়ে শয়তানের প্রকাশ, সেই এক’ই হৃদয়ে ঈশ্বরেরও প্রকাশ, না ঈশ্বর শয়তানকে ছেড়ে দেন,
না শয়তান ঈশ্বরকে ছেড়ে যান৷ একবার ঈশ্বর শয়তান হয়ে ওঠেন, আবার একবার শয়তান ঈশ্বর হয়ে ওঠেন৷

লেখা: বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ

আরো পড়ুনঃ