“আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছতে মানুষের ভিতরকে একা করতে হয়”
মানুষ “একা” নয়। মানুষের অভ্যান্তরে তিনটি সত্ত্বার বসবাস
(১) রূহ/প্রাণ; যা আল্লাহর নুর/আল্লাহর হুকুম,
(২) নফস/মন/আমিত্ব, এবং
(৩) খান্নাস নামক শয়তান।
কিন্তু মানুষ আল্লাহকে বুঝতে, জানতে এবং আল্লাহর নৈকট্য চাইলে তাকে অবশ্যই “একা” হতে হবে অর্থ্যাৎ, মানুষকে অভ্যান্তরের সত্ত্বা নফস/মনকে এবং খান্নাস শয়তানকে দমন করে আল্লাহর হুকুম রূহের গোলাম বানিয়ে সমগ্র দেহকে শুধুমাত্র রূহের অধীন করে একা একক সত্ত্বায় পরিণত করতে হবে। তবেই আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহ
সেই সাড়ার প্রতিত্তোর দিবেন।
আর রূহ আল্লাহর হুকুম; যা আল্লাহর আজ্ঞাবাহী; যার মৃত্যু নেই। আল্লাহর হুকুমে মানুষের দেহকে
ছেড়ে দেয় আবার আল্লাহর হুকুমেই দেহতে ফিরে আসবে পুনঃউত্থান দিবসে, আর বসবাস করে আলমে
আরওয়হে(রূহের জগত)-এ সকল রূহ একত্রে।
নফস বা মনের মৃত্যু আছে। রূহ মানুষের দেহকে ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই নফসের মৃত্যু ঘটে। অথবা মানুষ জীবিত অবস্থায় আল্লাহর হুকুম রূহের প্রতি নফস/মনের আত্মসমর্পণের দ্বারা রূহতে বিলীন হয়ে মিশে যেতে পারলেও নফস/মনের মৃত্যু ঘটে। একেই মৃত্যুর আগে মৃত্যু বলা হয়।
নফস/মনের মৃত্যু হলে বা নফস/মন রূহতে বিলীন হলে মানুষের দেহের অভ্যান্তরের
খান্নাস শয়তানেরও মৃত্যু ঘটে।
– কালান্দার ডা. জাহাঙ্গীর ইকবাল।






