মনসুরের খোদা কেমন ও ফেরাউনের খোদা কেমন
মনসুরের খোদা কেমন ও ফেরাউনের খোদা কেমন, এর বিচার বসাতে আমি রাজি নই। পিতা ছাড়া কোন পয়গম্বর আসলো আর পিতা-মাতা ছাড়া কোন মানুষ দুনিয়াতে প্রথম উপস্থিত হলো এর হিসাব করতেও আমি ইচ্ছুক নই।
কে উপাসনালয়ে বসে ইবাদত করে আর কে জঙ্গলে বৈরাগ্য করে এই কাহিনী শুনতেও আমার মন মজে নেই। কবরে মুনকার নাকির আমাকে কোন কোন প্রশ্ন করতে পারে আমি তার উত্তর মুখস্থ করার কোনো প্রয়োজন মনে করিনি, কিরামান কাতেবীন ঘাড়ে বসে আমার পক্ষে লিখলো না বিপক্ষে লিখলো এ হিসাবের খাতা দেরার চেষ্টাও কখনো করিনি।
আমার পাপ মুক্তির জন্য আমি কোনো দিন কাবা কিংবা গয়া কাশীতে ঘুরে আসিনি। কোন জমিন পবিত্র আর কোন জমিন অপবিত্র এসব ভেবে কখনো পা ফেলানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাইনি। আমার সত্য কোনো দিন এসবে লুকিয়ে ছিলো না, আমার বিচরণ ছিলো সর্বব্যাপী। আমি আমার মন মস্তিষ্ককে
জড়তা মুক্ত করে স্বাধীন হতে চেয়েছি, স্বাধীনতা অর্জন করার জন্য কোনো সীমাবদ্ধতার প্রয়োজন নেই, মোল্লা পুরোহিত কিংবা পীরের খিলকা দিয়ে কিছু আসে যায় না, স্বাধীনতা অর্জন ব্যাতিত এর সব কিছু’ই মেকী এবং লোকদেখানো প্রতারণা।
লেখা: বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ






