মওলা আলী বেলায়েতের মালিক, ওলীগন উনার জমির চাষা।
হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি আজমিরী (রহঃ)’কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, “জনাব! আপনিও আল্লাহর ওলি, মওলা আলি কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহুল কারীম ও আল্লাহর ওলি। আপনার আর মওলা আলি কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহুল কারীম এর বেলায়তের মধ্যে পার্থক্য কি?”
হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি আজমিরী (রহঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি করো কি?
সে বললো, “হুজুর, আমি জমিদার, অনেক জায়গা-জমির মালিক। তখন ঐ ব্যক্তির সাথে আরও একজন লোক ছিল।”
গরীবে নেওয়াজ (রহঃ) তার পাশের লোক কে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি করো? সেই ব্যক্তি উত্তর দিল, “হুজুর, আমি উনার জমিতে হাল চাষ করি।”
আতায়ে রাসূল, হিন্দাল ওলি, হুজুর খাজা গরীবে নেওয়াজ (রহঃ) বলেন, “যতটুকু পার্থক্য একজন জমিদার ও তার জমির চাষির মধ্যে রয়েছে ততটুকু ব্যবধান মওলা আলী মুশকিলকুশা কাররামাল্লাহু ওয়াজহুহু’র বেলায়েত আর আমি মঈনুদ্দিন চিশতি আজমিরী’র বেলায়তের মধ্যে রয়েছে।”
অর্থাৎ, মওলা আলী (আঃ) হলেন বেলায়েত জগতের মালিক, আর আমি মঈনুদ্দিন চিশতি আজমিরী সেই জমিতে হাল চাষ করি। আমি হলাম সেই জমির চাষা।
সূত্রঃ- তাযকেরায়ে মাহবুব- ২২১ পৃষ্ঠা।






