এক নজরে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)- এর নূরানী জীবনপ্রবাহ
জন্ম: সৌদি আরবের মক্কা নগরীর প্রভাবশালী কোরায়েশ বংশে ৫৭০ সালের ২৯ আগষ্ট (১২ রবিউল আউয়াল) সোমবার জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা-মাতা: পিতা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব। মাতা আমেনা বিনতে ওয়াহাব। জন্মের পূর্বে পিতার মৃত্যু হয়। জন্মের ছয় বছরে মাতাকে হারিয়ে ছিলেন।
শৈশব: এই অসহায় অবস্থায় তাঁর পিতা-মাতার ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রথমে পিতামহ আবদুল মুত্তালিব, পরে পিতৃব্য আবু তালিব ইবনে আবদুল মুত্তালিব। পিতা-মাতাহীন শৈশবে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হন। শৈশবে মেষ চরাতেন। পিতৃব্য আবু তালিব-এর ব্যবসাতেও সাহায্য করেছেন।
চাকরি: যৌবনকালে হজরত মুহাম্মদ সা. হজরত খাদিজা রা.-এর ব্যবসা দেখাশোনার কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন। মালকিন হজরত খাদিজা রা. হজরত মুহাম্মদ সা.-এর সততায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। তিনি প্রথমে ইতস্ততঃ বোধ করলেও, পরে অভিভাবকদের পরামর্শে এই প্রস্তাবে সম্মতি দেন।
অবয়ব: হজরত রাসূল সা. ছিলেন অপূর্ব কান্তিময় চেহারার অপরূপ এক ব্যক্তিত্ব। উজ্জ্বল গৌরকান্তি, প্রফুল্ল মুখশ্রী, প্রশস্ত ললাট, গোলাপ পাপড়ির ন্যায় ওষ্ঠদ্বয়, দন্তরাজি মুক্তোর ন্যায় উজ্জ্বল, গাত্রবর্ণ দুধে-আলতা মেশানো। নাসিকা ছিল ঈগল পাখির চঞ্চুর মতো। ভরাট চুয়াল, উচ্চ গ্রীবা, নিবিড ঘন কেশ নাতিদীর্ঘ ছিলেন। উদরে স্ফীতি নেই, কেশরাজি স্বতঃকুঞ্চিত, ঘন সন্নিবেশিত, মস্তকাবৃত। সুন্দর, সুদর্শন, সুবিস্তৃত কৃষ্ণবর্ণ নয়নযুগল, বাহু দুটি মাংসল, সুগঠিত, সাধারণের তুলনায় একটু বেশি লম্বা পর্যন্ত প্রলম্বিত। পায়ের গোছা সুগঠিত, সামান্য বাঁকানো। হেঁটে যাওয়ার সময় তিনি সোজাভাবে সামনের দিকে নিম্নগামী। তাঁর ভাষা ছিল অতি মিষ্ট ও প্রাঞ্জল। উচ্চারণে একটুও ত্রুটি নেই। ব্যক্তিত্বে তিনি ছিলেন সকল শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন।
বিবাহ: হজরত খাদিজা রা.-এর বয়স চল্লিশ বছর, হজরত মুহাম্মদ সা.-এয় বয়স পঁচিশ। ৫৯৫ সালে বিবাহ সুসম্পন্ন হয়ে গেল।
হেরা গুহায় ধ্যান: মক্কার দুই মাইল অদূরে হেরা পাহাড়ের গুহায় ধ্যানমগ্ন কাটাতেন। এটাকে জাবালে নূর বলে আখ্যায়িত করা হয়। মহাসত্যের উপলব্ধি, তত্ত্বজ্ঞান লাভ এবং সৃষ্টির সান্নিধ্য লাভে অস্থির থাকতেন। ধ্যানরত অবস্থায় হজরত মুহাম্মদ সা. প্রথমত ঘন্টার ধ্বনির মতো হজরত জিবরাইল আ.-এর বাণী অপরিস্ফুটভাবে শুনতে পান। পরে ৬১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হজরত জিবরাইল আ.-এর আগমন ঘটে। তিনি বলেন- “হে মুহাম্মদ সা.! আপনি আল্লাহর রাসূল, আমি ফিরিশতা জিবরাইল”। পবিত্র কুরআনের ঘোষণা-“মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নয়, তবে আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী। (সূরা আহযাব, আয়াত নং-৪০)
প্রথম মহিলা মুসলমান: হজরত মুহাম্মদ সা. যখন প্রত্যাদেশ পেলেন যে,”তোমার প্রতি যা অবতারিত হয়েছে তা প্রচার কর।” আর তুমি তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক কর। (সূরা শুআরা, আয়াত নং ২১৫)
হজরত খাদিজা হলেন, মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রথম মুসলমান। যখন হজরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সা. প্রত্যাদেশের মাধ্যমে ধর্ম প্রচারে বদ্ধপরিকর হলেন, তখনই হজরত খাদিজা রা. ভ্রান্তির আবরণ ছিন্ন করে আল্লাহ তত্ত্বের স্বর্গীয় মুকুট শিরে ধারণ করেছিলেন।
ইসলাম প্রচার: প্রথমে হজরত খাদিজা রা, হজরত আবুবকর সিদ্দিকী রা., হজরত আলী রা., হজরত জায়েদ ইবনে হারিস রা. পর্যায়ক্রমে ইসলাম প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলামের দাওয়াত গোপনে চলছিল। এবাদত ও শরীয়তের আমলও গোপনে পালন করা হতো। এমনকি গোপনে নামাজ আদায় করতেন। তিন বছর অতি গোপনে ইসলাম প্রচার অব্যাহত থাকে। তিন বছর পর যখন বিশাল পরিমাণ নর-নারী ইসলাম গ্রহণ করতে লাগলেন, তখন আল্লাহতায়ালা হজরত রাসূল সা.-কে ৬১৩ সালে প্রকাশ্যে জনতার সমীপে কালেমার হকের দাওয়াত পৌঁছাবার নির্দেশ দিলেন।
হজরত রাসূল সা. সাথে সাথে তা পালনের নিমিত্তে মক্কার সাফা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করে কুরায়েশ গোত্রের নাম ধরে আহ্বান জানালেন। যখন সমুদয় গোত্রের লোক সমবেত হল, তখন তিনি সর্বপ্রথম জিজ্ঞাসা করলেন, “যদি আমি তোমাদেরকে এই সংবাদ দিই যে, শত্রুসেনা তোমাদের উপর আক্রমণের জন্য আসছে এবং অচিরেই তোমাদের উপর হামলা আরম্ভ করবে, তা হলে তোমরা কী আমার কথা বিশ্বাস করবে? এই কথা শুনে একবাক্যে সকলে বলে উঠলো, “নিশ্চয়! আমরা আপনার খবর সম্পূর্ণ সত্য বলে বিশ্বাস করবো।”
অতঃপর তিনি ইসলামের দাওয়া দিলেন। অতঃপর ধারাবাহিকভাবে কঠোর বিরোধিতা বিরোধীদের থেকে আস। লাগলো। পিতৃব্য আবু তালিব ভীষণ চিন্তিত হলেন।
পবিত্র কুরআনের ঘোষণা-
সুতরাং তোমাদের যে আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে প্রচার কর এক মুশরিকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও। (সূরা হিজর, আয়াত নং-৯৫)
শোকের বছর: সুদীর্ঘ তিন বছর হজরত রাসূল সা.-এর সাথে ৬১৬ সালে গিরি-সঙ্কটে আবু তালিব-এর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়লো। তিনি শয্যাগত হয়ে পড়লেন। এহেন সময় হজরত রাসূল সা. প্রিয় পিতৃব্য আবু তালিবকে বললেন, আপনি এখনো বলুন-“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু” পরকালে আর আপনার কোনো ভয় থাকবে না। হজরত আব্বাস রা. তাঁর মুখের কাছে কান স্থাপন করে বললেন, “আব তালিব অস্পষ্টভাবে কালেমা পাঠ করেছেন।” তাঁর মৃত্যুতে হজরত রাসূল সা. ভীষণ কাতর হয়ে বলেছিলেন, “হে আল্লাহ! আমার পিতৃব্যের সকল অপরাধ ক্ষমা করে দাও”। পিতৃব্যের মৃত্যুর তিন দিন পর হজরত খাদিজা রা-এর ওফাত হয়। এই ৬২০ সালের হজরত রাসূল সা. নাম রেখেছিলেন “শোকের বছর”।
মিরাজ গমন: ৬২১ সালে দয়াময় আল্লাহতায়ালার আহ্বানে বোরাকে চড়ে হজরত জিবরাইল ও মিকাইল আ.-এর সঙ্গে হজরত রাসূল মক্কা নগরী থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস, জেরুজালেমে উপনীত হলেন। এখানেই পূর্ববর্তী নবী-রাসূলদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আল্লাহর এবাদত করলেন। পর্যায়ক্রমে আকাশ পার করে বায়তুল মামুর গৃহে প্রবেশ করলেন। হজরত রাসূল সা. আল্লাহর নিকটে হাজির হয়ে আল্লাহর মিলন পেয়ে আনন্দ লাভ করলেন। এই মিরাজ সফরে উম্মতের জন্য প্রত্যহ পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ জারি করেন আল্লাহতায়ালা। অবশেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
পবিত্র কুরআনে আছে-
“পবিত্র মহান যে সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে নিয়ে গিয়েছেন আল-মাসজিদুল হারাম থেকে আল মাসজিদুল-আকসা পর্যন্ত, যার আশেপাশে আমি বরকত দিয়েছি, যেন আমি তাঁকে আমার কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।” (সূরা বনী-ইসরাইল, আয়াত নং-১)
মদিনা যাত্রা-নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করেও হজরত রাসূল সা. মক্কায় ইসলামের দাওয়াত অব্যাহত রেখেছিলেন, সঙ্গে ছিলেন অসংখ্য সাহাবা। তাফসিরে রুহুল মাআনি, মোল্লা আলি কারী রাহ. মিশকাতের ব্যাখ্যাগ্রন্থ মিরকাতে লেখেন, “ইসলামের প্রচার-প্রসারের কারণে জন্মভূমি ত্যাগ করাকেও হিজরত বলা হয়। এই ধরনের হিজরতকে মুস্তাহাব হিজরত বলে।
পবিত্র কুরআনের নির্দেশ-
“আর যারা হিজরত করেছে আল্লাহার রাস্তায় অত্যাচারিত হওয়ার পর, আমি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম আবাস দান করবো, আর আখিরাতের প্রতিদান তো বিশাল, যদি তারা জানতো।” (সূরা নাহল, আয়াত নং-৪১)
আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে এবং যারা আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে, তারাই প্রকৃত মুমিন। তাঁদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক বিজয়। (সূরা আনফাল, আয়াত নং-৭৪)
অবশেষে আল্লাহর নির্দেশে হজরত রাসূলুল্লাহ সা. মক্কা ত্যাগ করলেন। সওর গিরিগুহায় দুইজনে আত্মগোপনে ছিলেন। রবিউল আউয়াল মাসের প্রথম দিন সোমবার হজরত রাসূল সা. মদিনা নগরের প্রান্তভাগে কোবায় হাজির হন। ১২ রবিউল আউয়াল ১ হিজরি (৬২২ সালের ২৮ মে) তিনি মদিনা শরীফে আগমন করলেন।
মসজিদে নববী-মক্কা নগরী হতে যে উটে (কাসওয়া) আরোহণ করে হজরত রাসূল সা. মদিনায় প্রবেশ করলেন, সেই উট যে স্থানে ভূতলে শায়িত হয়েছিল, সেই স্থানটিকে উপযুক্ত স্থির করে জমির মালিক অনুসন্ধান শুরু হল। রাফেলার দুই নাবালক সন্তান সহল ও সহিল উক্ত জমির মালিক। তারা দুইজন বিনামূল্যে জমি দান করতে চাইলেও হজরত রাসূল সা. দশ মোহর মূল্যে ক্রয় করে বিস্তীর্ণ জমি হতে জঙ্গল পরিষ্কার করে মসজিদ নির্মাণের জন্য উপযোগী করা হয়েছিল। সকলের সহযোগিতায় খোর্মা গাছের শাখা-প্রশাখা দ্বারা মসজিদের ছাদ, খোমা কাঠের দ্বারা দরজা, তোরণ প্রভৃতি নির্মিত হল।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত, হজরত রাসূল সা. বলেন, এই মসজিদে এক নামাজ আদায় করা মসজিদে হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে ৮ হাজার নামাজ আদায় করার চেয়েও উত্তম। (বুখারী ও মুসলিম)
মদিনায় যুদ্ধের দামামা:
পবিত্র কুরআনের নির্দেশー
- (১) আর তোমা আল্লাহর পথে লডাই কর এবং জেনে রেখো নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বগু।
(সুরা বাকারা, আয়াত নং-২৪৪) - (২) যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে মৃত বলো না, বরং তারা জীবির কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পারো না। (সূরা বাকারা, আয়াত নং-১৫৪)
- (৩) আর যাতে আল্লাহ পরিশুদ্ধ করেন ঈমানদারদেরকে এবং ধ্বংস করে দেন কাফেরদেরকে। (সূরা ইমরান, আয়াত নং-১৪২)
- (৪) আর যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, তাদেরকে আমি অবশ্য আমার পথে পরিচালিত করবো। আর নিশ্চয় আল্লাহ সৎ-কর্মশীলদের সাথেই আছেন । (সূরা আনকাবুত, আয়াত নং-৬৯)
৬২৪ সালে বদর যুদ্ধে মুসলমানদের জয় হয়। ৬২৫ সালে ওহুদ যুদ্ধে প্রথা পরাজয় হলেও পরে জয়লাভ হয়েছিল। ৬২৬ সালে দুমাতুল জান্দাল আক্রমণ, ৬২০ সালে বনী কাব গোত্রকে বশীভূতকরণ, বনু কুরাইজা গোত্রের ধ্বংস, ৬২৮ সাত খন্দকের যুদ্ধ, হুদায়বিয়ার ঐতিহাসিক সন্ধি, কাবায় প্রবেশের অনুমতি লাভ, খায়বা যুদ্ধে জয় হয়। ৬২৯ সালে মুতার যুদ্ধ, ৬৩০ সালে দশ হাজার সহচর-সহ নি রক্তপাতে মক্কা বিজয় হয়। ৬৩০ সালে হুনায়েনের যুদ্ধ, তায়েফ জয়, মক্কায় ইসলা আদর্শ শাসন প্রতিষ্ঠা হয়। ৬৩১ সালে আরব উপদ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকা অধিকার ৬৩২ সালে রোম ও গাসসান আক্রমণ, তাবুকের যুদ্ধ।
বিদায় হজ্জ: নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত সুতরাং যে বায়তুল্লাহর হজ্জ করবে কিংবা উমরা করবে, তার কোনো অপরাধ হাত না যে, সে এগুলোর তাওয়াফ করবে। আর যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কল্যাণ করবে, তাবে নিশ্চয় শোকরকারী, সর্বজ্ঞ। (সুরা বাকারা, আয়াত নং-১৫৯)
৬৩২ সালের ৭ মার্চ ১ লক্ষ ২৪ হাজার অনুচর-সহ মক্কায় পবিত্র হজ্জব্রত পাল করেন। আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পর্ণ করলাম এবং তোমাদে উপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পাল করলাম ইসলামকে। (সূরা মায়েদা, আয়াত নং-৩)
সম্মানিতা পত্নী: হে নবী-পত্নীগণ! তোমরা অন্য কোনো নারীর মত নও। যদি তোম তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে কোমল কন্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে বাই রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়, আর তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে। (সূরা আহযাব, আয়াত নং-৩৩)
হজরত খাদিজা (৫৯৫-৬২০), সাওদা (৬২০-৬৩২), আয়েশা (৬২০-৬৩২), হাফসা (৬২৪-৬৩২), জয়নাব বিনতে খুজায়মা (৬২৫-৬২৭), উম্মে সালমা (৬২৫-৬৩২), জয়নাব বিনতে জাহাশ (৬২৭-৬৩২), জুওয়াইবিয়া (৬২৮-৬৩২), রামালাহ (৬২৮-৬৩২), রায়হানা (৬২৯-৬৩২), সাফিয়া (৬২৯-৬৩২), মাইমুনা (৬৩০-৬৩২), মারিয়া কিবতিয়া (৬২৯-৬৩২)।
সন্তান: হে নবী পরিবার। তোমাদের উপর আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকত, নিশ্চয় তিনি প্রশংসিত সম্মানিত। (সূরা হুদ, আয়াত নং-৭৩)
পুত্র” কাসিম, আবদুল্লাহ, ইবরাহিম।
কন্যা: জয়নাব, রুকাইয়া, উম্মে কুলসুম, ফাতেমা রা.।
ওফাত: ৬৩২ সালের ৮ জুন (১১ হিজরির ১২ রবিউল আউয়াল) সোমবার।
মাজার: মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজের নিচে সমাহিত আছেন।
লেখা- মুহাম্মদ নাসেরউদ্দিন আব্বাসী






