সম্মোহিত মায়া

সম্মোহিত মায়া

ভ্রান্তি, অজ্ঞানতা, মরিচীকা, সম্মোহিত অবস্থার সৃষ্টি করে এই মায়া। সৃষ্টিকুলের সমগ্র জীব মায়া কতৃক সম্মোহিত হয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। সাধারণ জীব (মানুষ) এরা এই সৃষ্টিরুপি মায়াকে চিনতে পারেনা তাই তাদের নানারুপ কষ্ট ক্লেশদায়ক জীবন যাপন ও প্রকৃতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত জন্ম-মৃত্যুর চক্র চলতে থাকে।

সৃষ্টিকুল সৃষ্টি এই মায়া দ্বারা। যে আপন গুরু প্রদত্ত পথে সঠিকভাবে চলে এই সৃষ্টি রহস্য যেনেছে সেই কেবল ঐ মায়াকে চিনেছে।

সৃষ্টির শুরুতেই স্রষ্টার ইচ্ছা হল লীলা করার আর লীলা একা হয় না তাই তার ইচ্ছা ও হুকুমে প্রথমে (নির্গুণ ব্রক্ষই স্রষ্টা )ইচ্ছা হওয়া মাত্রই তার নূর হতে মা এর সৃষ্টি হল।তখন এই মা হল সগুন ব্রক্ষ মা, ঐ মা হতে তার পর সৃষ্টো হল একজন নারী একজন পুরুষ। এই নিয়ে শুরু হল সৃষ্টির লীলা।

নির্গুণ-সগুনের (জাত-সেফাত) সন্ধিস্থলে অপাকৃত ভুমিতে এই সেফাত রুপি মা এর সংসার আর এটাই হল ভাবলোক বা নিত্যলোক। যিনি নিরাকার নির্গুণ ব্রক্ষ (জাত) তিনিই সাকারে সগুনে এসে লীলা করছেন।

আমার সাঁইজি লালন ফকিরের ভাষায়- অখন্ডমন্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচর।। অখন্ডমন্ডলাকারে যিনি ব্যাপ্ত তিনিই সর্ব্বশক্তিমান স্রষ্টা।।

– ফকির ইশরাখউদ্দিন রাজু সাঁই

আরো পড়ুনঃ