সবচেয়ে বড় নেশাখোরদের পরিচয়।

সবচেয়ে বড় নেশাখোরদের পরিচয়।

সে গাঁজা খাবে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার। গাঁজা দেহের জন্য ক্ষতি। সে জেনে বুঝে তার দেহের ক্ষতি করবে না করবে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার। গরুর মাংস, পোলাও, বিরিয়ানী, মিষ্টি, চিনি, তেলজাতীয় খাবার, যেকোনো অতিরিক্ত খাবার এবং অতিরিক্ত ঘুম দেহের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। কই আপনি কি পারছেন এগুলা থেকে নিজের জিহ্বা ও লিপ্সা নিয়ন্ত্রণ রাখতে?

যদি না পেরে থাকেন, তবে মদ-গাঁজা খোরদের চেয়ে আপনিই বড় নেশাখোর! যদি এখানে ঢালাও ভাবে গাঁজাকেই শুধু হারাম বলে ফতোয়া দিতে আসেন, তবে হারামের সংজ্ঞা ও অর্থটা আগে ভালোকরে জেনে নিবেন। ওকে, মানলাম গাঁজা খাওয়া হারাম, কেননা মানবদেহের জন্য যা যা ক্ষতিকর তাহাই তো হারাম।

হারামের ভাবার্থ: হারাম আরবি শব্দ। মানবের জন্য যা যা ক্ষতিকর তার ব্যপারে সতর্ক থাকতে বা বিরত থাকার ঘোষনাকেই হারাম বলা হয়।

গাঁজা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। আর যে খাচ্ছে সে একান্তই নিজের ক্ষতি করছে, সে তো অন্যের কোনো ক্ষতি করছে না।  আমাদের সমাজে তো এর চেয়ে বড় নেশাখোর ও হারামখোর রয়েছে যেমন: সুদখোর, চোগলখোর, গীবতকারী, মিথ্যাবাদী, জুলুমকারী, প্রতারক, ফিতনাকারী, মোনাফেক, লেবাসধারী, পরকীয়াকারী। —এরাই হলো দুনিয়ার জন্য বেশি ক্ষতিকর, এরাই হলো দুনিয়ার বড় হারামখোর।

অথচ এরা যখন ইসলামের সাইনবোর্ড গায়ে লাগিয়ে এসব হারাম কাজ করে বেড়ায়, তখন আমাদের সমাজের ধর্মান্ধ লোকেরা তাদের ইসলামী লেবাস বিচারে তাদের হারামকে হিসেবে ধরে না এবং হারাম বলে গণ্য করেনা।
এজন্যই এসব ইসলামী লেবাসধারীদের চেয়ে তাদের অন্ধ অনুসারীদেরকে আমি বেশি নেশাগ্রস্ত ও হারামখোর মনে করি।

– Nishat Wahid

আরো পড়ুনঃ