মুসলিমদের জন্য শিল্প সংস্কৃতিকে ঈশ্বর কখনো হারাম করেননি।
মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি এর সব কিছু’ই ছিলো পরিপূর্ণ। মুসলিমদের জন্য শিল্প সংস্কৃতিকে ঈশ্বর কখনো হারাম করেননি এবং পয়গম্বর মুহাম্মদ সাঃ সেও কখনো সাহিত্য সংস্কৃতিকে নিষিদ্ধ করেননি।
একমাত্র আব্বাসীয় খিলাফত গোষ্ঠীরা মুসলিম সম্প্রদায় থেকে শিল্প সংস্কৃতিকে হারাম করে দিয়েছে। নিজস্ব ক্ষমতা স্বার্থ টিকিয়ে রাখার জন্য ধর্মকে ঢাল বানিয়ে আব্বাসীয়রা ইসলামের যে ক্ষতি করে দিয়ে গেছেন তা সীমাহীন।
নিজস্ব আমলা দ্বারা ইসলামের উপর যে সকল দলিল মতামত তৈরি করে দিয়ে গেছেন তা নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায় যুগ যুগ ধরে ধুকে ধুকে মরে চলছে। ইসলাম যেনো কঠিন এক ধর্মে রূপ নিয়েছে, ইসলাম যেনো সর্বোচ্চ ভয়ংকর নীতির উপর দাঁড়িয়ে আছে,ইসলামের স্রষ্টা যেনো কোনো এক ভয়ংকর দানব রূপে বান্দার জন্য অপেক্ষা করে চলছে।
আব্বাসীয়’রা যে ইসলাম থেকে শিল্প সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন তার জলজ্যান্ত প্রমাণ প্রখ্যাত ক্যালিগ্রাফার ইবনে মুকলা। ইবনে মুকলা ছিলেন যুগের অত্যাধুনিক ক্যালিগ্রাফার, তার হাত ধরে’ই ক্যালিগ্রাফি জগৎ প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন।
রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে আব্বাসীয়রা ইবনে মুকলার ডান হাত কেটে কারাগারে পাঠিছিলেন, সেই ইবনে মুকলা কারাগারে বসে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন…তাহারা আমার হাত কেটে নিয়েছেন, আমি এই হাত দিয়ে দুইবার কুরআন লিপিবদ্ধও করেছিলাম, ওরা অর্থাৎ-আব্বাসীয়রা কেন আমার হাত কেটে দিলো? আমি কি চোর ছিলাম!
শুধু মাত্র ক্ষমতা আর ব্যাক্তি স্বার্থে আব্বাসীয়রা ইসলামের মূলত নীতিকে পরিবর্তন করে এক কঠোর তন্ত্রের ইসলাম সমাজে প্রচার করে দিয়েছেন, যার ধারাবাহিকতা এখনো বর্তমান।
_বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ






