পরিষ্কারের পরিত্রাণ।
শরীর পরিষ্কার করার হাজারো প্রসাধনী বাজারে পাওয়া যায়, কিন্তু একটি পবিত্র হৃদয় তৈরী করার কোন প্রসাধনী আজ-অব্দি পাওয়া যাইনি, মানুষ শরীরকে পরিষ্কার করতে মহা ব্যাস্ত হৃদয়কে নয়! জলে শরীর পরিষ্কার হয় মন বা হৃদয় নয়।
হৃদয় পরিষ্কারের প্রসাধনী (গুরু) গুলো ফরমালিন যুক্ত হয়ে গেছে! তাই বিশুদ্ধ হৃদয়ের অধিকারী তৈরী হচ্ছে না! প্রসাধনীর আড়ালে থাকা কুৎসিত বিকৃতরা, প্রকৃতির সৌন্দর্যের সৌন্দর্যকে আড়ালে রেখেছে। এই পরিষ্কার থেকে সত্য পরিত্রাণ চায়।
যখন একটি ফুলে অনেক ভ্রমর বসে! বাগানের স্বত্বাধিকারীরা মনে করে ফুলের সতেজতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্বত্বাধিকারীরা ফুলের গায়ে তখন বিষ ছিটিয়ে দেয়। ফুল ঠিক তখনই তার সতেজতা হারায়! আর ভ্রমরের বীণার সুদ্ধ সুর কন্ঠরোধ করে ফেলে, ভ্রমর আর গাইতে পারেনা মধু-ও সংগ্রহ করতে পারেনা। স্বত্বাধিকারীরা জানেনা ভ্রমর গুনগুনিয়ে মধু সংগ্রহ করে ফুলকে জাগ্রত রেখে সতেজ করে তুলছে। জাগ্রত থেকে ধীরে ধীরে ফুল যেন ফলে পরিণত হতে পারে।
আমরা এখন প্রসাধনীর সৌন্দর্যে সুন্দর! প্রকৃতির ভিতরে লুকিয়ে থাকা সুন্দর সত্যেকে অন্ধের বিষাক্ত ফরমালিনে প্রতিনিয়ত দংশ করছি। যখনি মানুষ কোন মহা মানবের সন্ধান পেয়েছে ভ্রমরের ন্যায় ছুটেছে তার কাছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সমাজ ব্যাবস্থা নামক স্বত্বাধিকারী অন্ধ পন্ডিত গনের বিষাক্ত বিষের ছোবলে ভ্রমর এবং ফুল উভয় দংশন হয়েছে। বীণার সুর ভ্রমরের! ফুল ভ্রমরকে তার মিষ্টতা উজাড় করে দেয়, শুধু বিশুদ্ধ সুরে মুগ্ধ হয়ে।
– সাদিকুল ইসলাম






